বারুইপুর পশ্চিমে তৃণমূলের কর্মী সম্মেলন, বিরোধী শিবিরে ভাঙনের ইঙ্গিত
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২৯ মার্চ (হি. স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৪০ নম্বর বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। রবিবার ধপধপি এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে কুমারহাট স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হলো এক
বারুইপুর পশ্চিমে তৃণমূলের কর্মী সম্মেলন, বিরোধী শিবিরে ভাঙনের ইঙ্গিত


দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২৯ মার্চ (হি. স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৪০ নম্বর বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। রবিবার ধপধপি এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে কুমারহাট স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হলো এক বৃহৎ কর্মী সম্মেলন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ তথা এলাকার বিদায়ী বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্যে আসন্ন নির্বাচনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিনের কর্মী সম্মেলনে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সভার অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাম ও বিজেপি থেকে একাধিক কর্মী-সমর্থক ও নেতৃত্বের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই যোগদানকে কেন্দ্র করে বারুইপুর পশ্চিমে বিরোধী শিবিরে ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের যোগদান তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনকে আরও মজবুত করবে এবং আসন্ন নির্বাচনে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের শরিক হতে এই সব কর্মীরা বিরোধী দল ছেড়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন।”

যদিও বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে তেমন গুরুত্ব দিতে চাওয়া হয়নি। তাদের দাবি, এই ধরনের যোগদান সাময়িক এবং নির্বাচনের ফলাফলে এর বড় প্রভাব পড়বে না। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande