

।। রাজীব দে ।।
দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দৃঢ় হবে, আশাবাদী অতিথিবৃন্দ
ঢাকা, ৭ মাৰ্চ (হি.স.) : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য ইফতার মেহফিলের আয়োজন করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল গ্র্যান্ড বলরুমে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয়কুমার ভার্মা এবং তাঁর সহধর্মিণী মানু ভার্মার আমন্ত্রণে আয়োজিত ইফতারে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা, সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ইফতারে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, আইনমন্ত্রী মোহম্মদ আসাদুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। এছাড়া হুইপ আসাদুল হাবিব দুলু, মাহাদি আমিন ও মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল উপস্থিত ছিলেন ইফতারে।
অংশ নিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারি এবং অন্য অংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার সহ সিনিয়র নেতারা। জামায়াতে ইসলামির সংসদ সদস্য সাইফুল আলম, কমিউনিস্ট পার্টির সাজ্জাদ জহির চন্দন ও মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এবং এবি পার্টির মুজিবুর রহমান মঞ্জু।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের বিশিষ্টজন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিলেন সম্পাদকবৃন্দ মাহফুজ আনাম (ডেইলি স্টার), মতিউর রহমান চৌধুরী (মানবজমিন), একে আজাদ চৌধুরী (সমকাল), আব্দুল হাই সিকদার (যুগান্তর) এবং সালাউদ্দিন মোহাম্মদ বাবর (নয়া দিগন্ত)। ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আয়ুব ভাইয়া।
ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের উদ্দেশ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। ইফতারের আগে আমন্ত্রিত অতিথিরা একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের পর আগত অতিথিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস