বিবিধের মাঝে মিলনই ভারতের শক্তি, রাজভবনে ‘রাজস্থান দিবস’ ও ‘উৎকল দিবস’ উদযাপনে বার্তা রাজ্যপালের
​কলকাতা, ৬ এপ্রিল (হি. স.): “ভারতবর্ষে বিবিধতার মধ্যেই একতা ও বৈচিত্র্য বজায় রয়েছে। আমাদের সংস্কার সমস্ত ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্বাধীনতার পর এই ভাবনাগুলি আমরা ভুলতে করেছি।” সোমবার রাজভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন রাজ
বিবিধের মাঝে মিলনই ভারতের শক্তি, রাজভবনে ‘রাজস্থান দিবস’ ও ‘উৎকল দিবস’ উদযাপনে বার্তা রাজ্যপালের


​কলকাতা, ৬ এপ্রিল (হি. স.): “ভারতবর্ষে বিবিধতার মধ্যেই একতা ও বৈচিত্র্য বজায় রয়েছে। আমাদের সংস্কার সমস্ত ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত স্বাধীনতার পর এই ভাবনাগুলি আমরা ভুলতে করেছি।” সোমবার রাজভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। ছোট ছোট রাজ্যের নিরিখে ভাবনার প্রবণতা বাড়লেও, সামগ্রিক ভারতীয় চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করা আজ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত, জাতীয় সংহতি ও বৈচিত্র্যের মেলবন্ধনে এদিন রাজভবনে ‘রাজস্থান দিবস’ ও ‘উৎকল দিবস’ উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছিল।

​এই উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উৎসব ও বিশেষ দিবসগুলিকে সর্বভারতীয় স্তরে তুলে ধরার কাজ শুরু হয়েছে। আজ রাজস্থান দিবস শুধু রাজস্থানে সীমাবদ্ধ নয় বা উৎকল দিবস কেবল ওড়িশায় আবদ্ধ নয়—গোটা দেশজুড়ে আমরা তা উদযাপন করছি।”

​দেশকে মাতৃসম উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “রাজস্থান কেবল রাজস্থানের মানুষের জন্য নয়, ওড়িশাও শুধুমাত্র ওড়িশাবাসীর নয়—গোটা দেশটাই আমাদের।” এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজস্থান ও ওড়িশা থেকে আগত প্রতিনিধি এবং বাংলায় বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মানুষদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

​রাজ্যপাল মনে করেন, এই দুই প্রদেশের দিবসের তারিখ পৃথক হলেও উদযাপনই জাতীয় ঐক্যের আসল প্রতীক। বিভিন্ন রাজভবনে একাধিক রাজ্যের দিবস পালনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রাজ্য দিবস কি শুধু সংশ্লিষ্ট রাজ্যেই পালিত হবে?” নিজেই উত্তর দিয়ে তিনি জানান, এই সংকীর্ণ ভাবনা অতিক্রম করেই ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর ধারণাকে বাস্তবায়িত করতে হবে। তাঁর মতে, এই ধরনের আয়োজন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দেশের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের বোধকে উপলব্ধি করার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande