শক্তি প্রদর্শনে উৎসব মুখর পরিবেশে তৃণমূলের মনোনয়ন আরামবাগে
আরামবাগ, ৬ এপ্রিল (হি.স.): সোমবার আরামবাগ মহকুমার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তিনটির তৃণমূল প্রার্থীরা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। আরামবাগ, গোঘাট ও খানাকুল—এই তিন কেন্দ্রেই সকাল থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে
মিছিল করে মনোনয়ন আরামবাগে


আরামবাগ, ৬ এপ্রিল (হি.স.): সোমবার আরামবাগ মহকুমার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তিনটির তৃণমূল প্রার্থীরা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। আরামবাগ, গোঘাট ও খানাকুল—এই তিন কেন্দ্রেই সকাল থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ঢাকের বাদ্যি সহযোগে বিশাল মিছিলগুলি গোটা মহকুমা জুড়ে একপ্রকার উৎসবের আমেজ তৈরি করে।

​আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ এদিন বিশাল কর্মী-সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যান। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আরামবাগের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। গত কয়েক বছরে যে কাজ হয়েছে তা স্পষ্ট। আমি আশাবাদী, মানুষ আবারও আমাদের ওপর ভরসা রেখে উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবেন।” তিনি বিশেষত পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য এবং মহিলাদের স্বনির্ভরতার ওপর জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

​গোঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ডাঃ নির্মল মাঝি এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন জমা দেন। তাঁর দাবি, “গোঘাটে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও গ্রামীণ উন্নয়নকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। বিরোধীরা শুধু অভিযোগ করে, কিন্তু আমরা কাজ করে দেখিয়েছি।” সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগই তাঁর প্রধান শক্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

​অন্যদিকে, খানাকুল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পলাশ রায় মনোনয়ন জমা দিয়ে বলেন, “খানাকুলের মানুষ সবসময় উন্নয়নমুখী রাজনীতিকে সমর্থন করেছেন। আগামী দিনে শিক্ষা, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আমরা আরও জোর দেব।” কর্মী-সমর্থকদের এই বিপুল উপস্থিতি মানুষের সমর্থনেরই প্রতিফলন বলে তিনি দাবি করেন।

​তবে এদিন পুড়শুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কিছুটা জল্পনা তৈরি হলেও দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তিনি মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। সামগ্রিকভাবে, তিন প্রার্থীর মনোনয়নকে কেন্দ্র করে আরামবাগ মহকুমায় শাসকদলের শক্তিপ্রদর্শন ছিল দেখার মতো।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande