মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন
হুগলি, ৬ এপ্রিল (হি.স.): প্রবল দাবদাহ উপেক্ষা করেই চন্দননগর বিধানসভা কেন্দ্রে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। সোমবার দুপুরে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এক বর্ণাঢ্য পদযা
ইন্দ্রনীল সেনের মনোনয়নে পদযাত্রা


হুগলি, ৬ এপ্রিল (হি.স.): প্রবল দাবদাহ উপেক্ষা করেই চন্দননগর বিধানসভা কেন্দ্রে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন। সোমবার দুপুরে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে প্রায় ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রার মধ্য দিয়ে মহকুমা শাসকের দফতরে পৌঁছান তিনি।

​এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ মানকুণ্ডু সার্কাস গ্রাউন্ড থেকে এই বিশাল মিছিলটি শুরু হয়। চন্দননগর পুরনিগমের ৩৩টি ওয়ার্ডের কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক নীল-সাদা বেলুন, দলীয় পতাকা এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে মিছিলে শামিল হন। মিছিলটি জ্যোতি মোড় হয়ে এসডিও অফিসের দিকে অগ্রসর হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল সহ পুরনিগমের সমস্ত কাউন্সিলররা।

​অন্যদিকে, ভদ্রেশ্বর এলাকা থেকেও একটি পৃথক মিছিল বের হয়, যেখানে ২২টি ওয়ার্ডের মানুষ অংশ নেন। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী এবং সিআইসি প্রকাশ গোস্বামী সহ অন্যান্য কাউন্সিলররা। দুটি পৃথক পদযাত্রা জ্যোতি মোড়ে মিলিত হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেন কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে মনোনয়ন জমা দিতে যান।

​মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর আত্মবিশ্বাসী ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেন, তাঁর এলাকায় কোনও শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “বিরোধীদের যদি কোনও অস্তিত্বই থাকত, তবে দেওয়ালে লেখা বা ব্যানার-পোস্টারে অন্তত তাদের দেখা যেত। কিন্তু বাস্তবে তা অদৃশ্য।” এদিন হুগলির এই হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল তুঙ্গে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande