হিমাচল বোর্ডের দশম শ্রেণির ফল প্রকাশ, ৬৯৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম আনমোল
ধর্মশালা, ১০ মে (হি.স.) : হিমাচল প্রদেশ স্কুল শিক্ষা বোর্ড রবিবার দশম শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। চলতি বছরে মোট ৯৩ হাজার ৬৬১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে পাশ করেছে ৭৮ হাজার ১৫০ জন। ফলে সামগ্রিক পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৮৩.৮৭
হিমাচল বোর্ডের দশম শ্রেণির ফল প্রকাশ, ৬৯৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম অনমোল


ধর্মশালা, ১০ মে (হি.স.) : হিমাচল প্রদেশ স্কুল শিক্ষা বোর্ড রবিবার দশম শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। চলতি বছরে মোট ৯৩ হাজার ৬৬১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে পাশ করেছে ৭৮ হাজার ১৫০ জন। ফলে সামগ্রিক পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৮৩.৮৭ শতাংশ। এছাড়া ৮ হাজার ৪৩৩ জন পরীক্ষার্থী কম্পার্টমেন্ট পেয়েছে এবং ৬ হাজার ৫৫৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে।

ফলাফল ঘোষণা করে স্কুল শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ডঃ রাজেশ শর্মা জানান, কাংড়া জেলার একটি বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়া আনমোল রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। সে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৯ নম্বর পেয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। তিনি জানান, আপাতত প্রোভিশনাল মেরিট তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জুন মাসে সংশোধনের পর চূড়ান্ত মেরিট তালিকা প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, আনমোল কাংড়া জেলার এভিএম পাবলিক স্কুল পাহাড়ার পড়ুয়া। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তিনজন পরীক্ষার্থী— অভিনব মেহতা (উনা), পূর্ণিমা (জিএসএসএস বিলাসপুর) এবং রোহিণী ধিমান। তারা প্রত্যেকে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৮ নম্বর পেয়েছে। এছাড়া হামিরপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়া অশ্বিকা শর্মা এবং মান্ডির অক্সফোর্ড স্কুল কোটলির পড়ুয়া আলিশা ঠাকুর ৬৯৭ নম্বর পেয়ে যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

এদিন বোর্ড সভাপতি ডঃ রাজেশ শর্মা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছরের ফলাফলে উন্নতি হয়েছে। পরীক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এমসিকিউ এবং কম্পিটেন্সি-ভিত্তিক প্রশ্নপত্র চালু করা হয়েছে। তিনি জানান, এ বছর রাজ্যজুড়ে ২ হাজার ৩৮৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল এবং প্রথমবার লাইভ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থাও করা হয়। আগামী বছর থেকে অডিও-ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি চালানো হবে। মূল্যায়নের জন্য ৪১টি কেন্দ্র ছিল, সেখানে ২ হাজার ৯০০ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করেছেন।

বোর্ড সভাপতি আরও জানান, সময়মতো ফল প্রকাশের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে বর্তমানে হিমাচল বোর্ড দেশের মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ বছর কম্পার্টমেন্ট পাওয়া পরীক্ষার্থীরা জুন মাসেই পুনরায় পরীক্ষা দিতে পারবে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের নম্বর উন্নত করার সুযোগ পাবে। তবে যারা ফেল করেছে, তারা জুন মাসে পরীক্ষায় বসতে পারবে না। এদিন বোর্ডের সচিব ডঃ মেজর বিশাল শর্মাও উপস্থিত ছিলেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande