কৈলাসহরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ যুবক, থানায় ডায়েরি
কৈলাসহর (ত্রিপুরা), ১১ মে (হি.স.) : ঊনকোটি জেলার কৈলাসহর পুর পরিষদের ১৫ নং ওয়ার্ডের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা নিত্যানন্দ মালাকার গত ৯ মে সন্ধ্যা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনও সন্ধান না মেলায় উদ্বেগে দিন কাটছে প
নিখোঁজ যুবক


কৈলাসহর (ত্রিপুরা), ১১ মে (হি.স.) : ঊনকোটি জেলার কৈলাসহর পুর পরিষদের ১৫ নং ওয়ার্ডের দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা নিত্যানন্দ মালাকার গত ৯ মে সন্ধ্যা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনও সন্ধান না মেলায় উদ্বেগে দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। ঘটনার জেরে সোমবার কৈলাসহর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছে পরিবার। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে বিকেলে নিত্যানন্দ মালাকার স্থানীয় দুই যুবক মনতোষ ও বিজয়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর সন্ধ্যা নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো পরিচিত কারও বাড়ি বা অন্য কোনও কাজে গিয়েছেন। কিন্তু রাত গভীর হলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

পরদিন থেকে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। যাদের সঙ্গে নিত্যানন্দকে শেষবার দেখা গিয়েছিল, সেই মনতোষ ও বিজয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। পরিবারের দাবি, তাঁরা বর্তমানে নিজেদের বাড়িতেই রয়েছেন এবং নিত্যানন্দের অবস্থান সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি।

দুই দিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও কোনও সন্ধান না পাওয়ায় অবশেষে কৈলাসহর থানার দ্বারস্থ হন পরিবারের সদস্যরা। নিত্যানন্দের বৌদি অর্চনা মালাকার জানান, “আমরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজ করেছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে আজ পুলিশের কাছে সাহায্য চাইতে এসেছি।”

তিনি আরও জানান, পুলিশ তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ করে বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে এবং নিত্যানন্দের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

ঘটনাটি জানাজানি হতেই দুর্গাপুর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও নিত্যানন্দের দ্রুত সন্ধান পাওয়ার আশা করছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, নিখোঁজ যুবকের সম্ভাব্য অবস্থান এবং ঘটনার পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande