সংকটময় পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জকে সুযোগে রূপান্তরিত করেছে ভারত : হরদীপ সিং পুরী
নয়াদিল্লি, ১২ মে (হি.স.): ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই, জোর দিয়ে বললেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, সংকটের এই সময়ে চ্যালেঞ্জকে সুযোগে রূপান্তরিত করেছে ভারত। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিক
হরদীপ সিং পুরী


নয়াদিল্লি, ১২ মে (হি.স.): ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই, জোর দিয়ে বললেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, সংকটের এই সময়ে চ্যালেঞ্জকে সুযোগে রূপান্তরিত করেছে ভারত। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেছেন, আমাদের সরবরাহের দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। বর্তমানে দেশের কাছে অপরিশোধিত তেল, এলএনজি এবং এলপিজি-এর পর্যাপ্তেরও বেশি মজুত রয়েছে। যখন এই সংকট শুরু হয়েছিল, তখন কিছুটা উদ্বেগ ছিল; কিন্তু আমরা সেই চ্যালেঞ্জকে একটি সুযোগে রূপান্তরিত করেছি। আমরা আমাদের এলপিজি-র অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছি—যা আগে প্রতিদিন ৩৬,০০০ মেট্রিক টন ছিল। আমরা এখন তা বাড়িয়ে প্রতিদিন ৫৪,০০০ মেট্রিক টনে উন্নীত করেছি। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন যে, কোথাও কোনও ঘাটতি নেই। গত চার বছরে দামের কোনও বৃদ্ধি ঘটেনি। আমরা জানি না, হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ বা পাল্টা-অবরোধ আর কতদিন চলবে। তবে আমি আপনাদের দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে, বর্তমানে আমরা এমন একটি অবস্থানে আছি—যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকে হয় প্রাপ্যতা ও সরবরাহের ক্ষেত্রে তীব্র সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে, অথবা সেখানে জ্বালানির দাম ৫০-৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অত্যন্ত দূরদর্শী। এটি ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং ইঙ্গিত দেয় যে—যদি বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন বা 'লাইফস্টাইল চেঞ্জ'-এর ক্ষেত্রে আমরা কী পদক্ষেপ নিতে পারি, সে বিষয়েও আমাদের ভাবতে হবে। এমন নয় যে, অদূর ভবিষ্যতে কোনও বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। এই ধরনের কথাবার্তা কেবলই নেতিবাচক এবং আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কার্যকলাপ। আমি প্রতিদিন তেল সেক্টরের সিএমডি-দের সঙ্গে নিয়ে এক থেকে দেড় ঘণ্টা ধরে পরিস্থিতির পর্যালোচনা করি। তাই উদ্বেগের বিন্দুমাত্র কোনও কারণ নেই। আমার অধীনস্থ তেল কোম্পানিগুলো প্রতিদিন ১০০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছে। তাই আমাদের বরং এই বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করা উচিত। এলপিজি-র চাহিদাও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আগে এর চাহিদা ছিল ৯০,০০০ মেট্রিক টন; এখন তা কমে ৭৫,০০০ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে। এর কিছুটা কারণ হলো বর্তমানের তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা ছাড়াও, আমি মনে করি—সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে আমরা অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছি। দয়া করে প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন; এটি একটি অত্যন্ত দূরদর্শী বক্তব্য।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande