নেপালের পথে ভারত-চিনকে যুক্ত করা কোশি মহাসড়ক সেনার হাত থেকে সড়ক দফতরের হাতে
কাঠমান্ডু, ১২ মে (হি.স.) : ভারত-নেপাল-চিনকে যুক্ত করা উত্তর-দক্ষিণ কোশি মহাসড়কের অন্যতম কঠিন চ্যামতাং-ঘোঙগাপ্পা ১০.৮১ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করে তা নেপালের সড়ক দফতরের হাতে তুলে দিল নেপালি সেনা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও কঠিন শিলাস্তরের
নেপালের পথে ভারত-চিনকে যুক্ত করা কোশি মহাসড়ক সেনার হাত থেকে সড়ক দফতরের হাতে


কাঠমান্ডু, ১২ মে (হি.স.) : ভারত-নেপাল-চিনকে যুক্ত করা উত্তর-দক্ষিণ কোশি মহাসড়কের অন্যতম কঠিন চ্যামতাং-ঘোঙগাপ্পা ১০.৮১ কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করে তা নেপালের সড়ক দফতরের হাতে তুলে দিল নেপালি সেনা।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও কঠিন শিলাস্তরের কারণে এই রাস্তার নির্মাণ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাস্তা কোশি সড়ক প্রকল্পের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

নেপালি সেনার প্রধান সেনানি শেরবাহাদুর সিং রাস্তা হস্তান্তর করেন। এই সড়কটি ভারতের জোগবনি থেকে বিরাটনগর হয়ে চিন সীমান্তবর্তী কিমাথাংকা পর্যন্ত পৌঁছনো নেপালের সবচেয়ে ছোট ত্রিদেশীয় বাণিজ্যপথের অংশ। জাতীয় গৌরবের এই কোশি মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৩৯০ কিলোমিটার।

খাঁদবাড়ি-কিমাথাংকা সড়কের দৈর্ঘ্য ১৬৫ কিলোমিটার। এর মধ্যেই সবচেয়ে দুর্গম অংশ হিসেবে ধরা হয় চ্যামতাং-ঘোঙগাপ্পা এলাকা। প্রায় পাঁচ বছর ধরে নির্মাণকাজ চলার পর সেনা এই রাস্তা সম্পূর্ণ করে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কঠিন ভূপ্রকৃতি ও প্রযুক্তিগত বাধা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উন্নত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করেছে সেনা। রাস্তা নির্মাণে প্রয়োজনীয় সামগ্রী হেলিকপ্টারে করে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।

চিন সীমান্তবর্তী কিমাথাংকা এলাকা ভৌগোলিক দিক থেকে অত্যন্ত দুর্গম। কিমাথাংকা-জোগবনি সড়ককে ভারত ও চিনকে যুক্ত করা সবচেয়ে ছোট সড়কপথ হিসেবে ধরা হয়। বিস্ফোরক ব্যবহার করে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরির প্রয়োজন হওয়ায় ছয় বছর আগে নেপাল মন্ত্রিসভা এই প্রকল্পের দায়িত্ব সেনাকে দেয়।

এই সড়ক চালু হলে কোশি প্রদেশের সংখুয়াসভা, ধনকুটা, তেহরথুম, সুনসরি, মোরং, ঝাপা ও ভোজপুর জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, রাস্তা চালু হলে এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যও বাড়বে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গিয়েছে, খাঁদবাড়ি-কিমাথাংকা সড়ক নির্মাণে এখনও পর্যন্ত ৬২ কোটি ৩৬ লক্ষ ৬৭ হাজার নেপালি টাকা খরচ হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande