এয়ারবাসের সহযোগিতায় ভারতের প্রথম সি-২৯৫ সামরিক বিমান তৈরি করল টাটা
নয়াদিল্লি, ১২ মে (হি.স.) : ফরাসি সংস্থা -এর সহযোগিতায় গুজরাটের ভডোদরায় প্রথম সি-২৯৫ সামরিক পরিবহণ বিমান তৈরি করল । ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তৈরি এই বিমান ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রথমবার কোনও বেসরকারি ভারতীয় স
এয়ারবাসের সহযোগিতায় ভারতের প্রথম সি-২৯৫ সামরিক বিমান তৈরি করল টাটা


নয়াদিল্লি, ১২ মে (হি.স.) : ফরাসি সংস্থা -এর সহযোগিতায় গুজরাটের ভডোদরায় প্রথম সি-২৯৫ সামরিক পরিবহণ বিমান তৈরি করল । ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তৈরি এই বিমান ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রথমবার কোনও বেসরকারি ভারতীয় সংস্থা দেশে পূর্ণাঙ্গ সামরিক বিমান ফাইনাল অ্যাসেম্বলি লাইন তৈরি ও চালু করল।

২০২১ সালে হওয়া ২১ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য এই প্রকল্প শুরু হয়। ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেসের সঙ্গে ৫৬টি সি-২৯৫ সামরিক পরিবহণ বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছিল। ওই চুক্তি অনুযায়ী প্রথম ১৬টি বিমান স্পেনে তৈরি করে ‘ফ্লাইং মোড’-এ ভারতে পাঠানো হবে। বাকি ৪০টি বিমান আগামী ১০ বছরের মধ্যে ভারতে টাটা কনসর্টিয়াম তৈরি করবে। আশা করা হচ্ছে, ২০৩১ সালের অগস্টের মধ্যে সব ভারতীয় নির্মিত বিমান সরবরাহ করা হবে।

এর আগে প্রথম সি-২৯৫ পরিবহণ বিমানটি ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ভডোদরার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণ করেছিল। গ্রুপ ক্যাপ্টেন পি এস নেগি ফ্রান্স থেকে মিশর ও বাহরিন হয়ে বিমানটি ভারতে উড়িয়ে আনেন। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর হিন্দন এয়ারবেসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানটিকে ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে অন্তর্ভুক্ত করেন।

এই সি-২৯৫ বিমানে দু’জন পাইলট থাকেন। এটি একসঙ্গে ৭৩ জন সেনা, অথবা ৪৮ জন প্যারাট্রুপার, অথবা চিকিৎসা সরঞ্জাম-সহ স্ট্রেচারে রোগী বহন করতে সক্ষম। বিমানটি সর্বাধিক ৯ হাজার ২৫০ কেজি ওজন বহন করতে পারে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৪৮২ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৫৩৩ ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম।

বিমানটি ওড়ার জন্য ৮৪৪ থেকে ৯৩৪ মিটার দীর্ঘ রানওয়ে প্রয়োজন হলেও অবতরণের জন্য মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়েই যথেষ্ট। এছাড়া, বিমানের দুই পাখার নীচে মোট ছ’টি হার্ড পয়েন্ট রয়েছে, যেখানে ৮০০ কেজি পর্যন্ত অস্ত্র বহন করা সম্ভব।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande