
বেইজিং, ১৩ মে (হি.স.): দুই দিনের সফরে বুধবার চিনে পৌঁছালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সফরের শুরুতেই কূটনৈতিক ইঙ্গিত ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে, কারণ বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাননি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ট্রাম্পকে অভ্যর্থনা জানান চিনের উপ-রাষ্ট্রপতি হান ঝেং।
বেইজিং বিমানবন্দরে ট্রাম্পের জন্য বিশেষ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মার্কিন ও চীনা আধিকারিকদের পাশাপাশি বহু তরুণ উপস্থিত ছিলেন, যারা দুই দেশের পতাকা নেড়ে তাঁকে স্বাগত জানান। সামরিক ব্যান্ড ও গার্ড অব অনারও দেওয়া হয়।
শি জিনপিংয়ের অনুপস্থিতি কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের ক্ষেত্রে শীর্ষ নেতৃত্ব নিজে উপস্থিত থাকেন। অতীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে ট্রাম্পকে উচ্চপর্যায়ের অভ্যর্থনা দেওয়া হয়েছিল।
এটি ২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের দ্বিতীয় চিন সফর। এর আগে ২০০৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সফরে উপ-রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি বড় কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীরাও রয়েছেন। তালিকায় রয়েছেন এলন মাস্ক, টিম কুক, ল্যারি ফিঙ্ক, স্টিফেন শোয়ার্জম্যান, কেলি অর্টবার্গ, ব্রায়ান সাইকস, জেন ফ্রেজার, জিম অ্যান্ডারসন, লরেন্স কল্প, ডেভিড সলোমন, জ্যাকব থাইসেন, মাইকেল মিয়েব্যাক, দিনা পাওয়েল ম্যাককরমিক, সঞ্জয় মেহরোত্রা, ক্রিস্টিয়ানো আমন, রায়ান ম্যাকইনর্নি ও চাক রবিন্স।
ধারণা করা হচ্ছে, সফরকালে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তাইওয়ান ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য