টুটু বসু প্রয়াত, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
কলকাতা, ১৩ মে (হি.স.): প্রয়াত হয়েছেন স্বপন সাধন বসু, যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাস
টুটু বসু প্রয়াত, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর


কলকাতা, ১৩ মে (হি.স.): প্রয়াত হয়েছেন স্বপন সাধন বসু, যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। আর গভীর রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন টুটু।

ফুটবল প্রশাসক ছাড়াও একাধিক পরিচয় ছিল টুটু বসুর। তিনি রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী এবং সংবাদপত্রের মালিকও। বেশ কিছু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন টুটু। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করা কার্যত অসম্ভব ছিল। এই কারণে গত কয়েক বছর তিনি সেভাবে ফুটবল প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। টুটুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়।

১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি মোহনবাগানের সচিব ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ফের তিনি সচিব নির্বাচিত হন। দায়িত্ব সামলেছিলেন দু’বছর। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দু’দফায় ফের তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর মোহনবাগানের নির্বাচনের আগে তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

টুটু বসুর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক্স মাধ্যমে শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ তথা বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক শ্রী স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)-র প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। মোহনবাগান ক্লাব ও টুটু বসু একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া প্রশাসনে ওনার অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ওনার নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি এবং খেলাধুলার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, পরিজন, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে ওনার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করি।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande