প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিচক্ষণতায় জ্বালানি সংকট থেকে স্বস্তি পাবে দেশবাসী : অসম বিজেপি
- ‘পেট্রোলে মাত্র ৩.২ শতাংশ এবং ডিজেলে ৩.৪ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি করেছে ভারত সরকার’ - ‘মজবুত অর্থনৈতিক নীতির জন্য ভারত এখনও সংকটমুক্ত’ গুয়াহাটি, ১৬ মে (হি.স.) : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কুপ্রভাব থেকে সমগ্র বিশ্বের পাশাপাশি ভারতও আলাদা নয়। যেহেতু ভারত
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ফটো)


- ‘পেট্রোলে মাত্র ৩.২ শতাংশ এবং ডিজেলে ৩.৪ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি করেছে ভারত সরকার’

- ‘মজবুত অর্থনৈতিক নীতির জন্য ভারত এখনও সংকটমুক্ত’

গুয়াহাটি, ১৬ মে (হি.স.) : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কুপ্রভাব থেকে সমগ্র বিশ্বের পাশাপাশি ভারতও আলাদা নয়। যেহেতু ভারত তার প্রয়োজনীয় জ্বালানির অধিকাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে বাধ্য, তাই জ্বালানি সংকট থেকেও দেশ পুরোপুরি মুক্ত থাকতে পারে না। তবে সাধারণ মানুষ যাতে এর ফলে দুর্ভোগে না পড়েন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার সর্বদা সচেষ্ট, বলেছে অসম প্রদেশ ভারতীয় জনতা পার্টি।

এক বিবৃতিতে দলের মিডিয়া প্যানেলিস্ট দিলীপকুমার শর্মা বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতা আজ গোটা বিশ্বের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এমন-কি উন্নত দেশগুলিও জ্বালানি সংকটের দরুন অর্থনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে। কারণ, এই যুদ্ধের ফলে অপরিশোধিত তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। দেখা যায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যেখানে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মূল্য ছিল ৫৭ থেকে ৬২ ডলার, আজ তা বেড়ে ১১০ ডলারেরও বেশি হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। ফলে অপরিশোধিত তেল আমদানিকারী প্রতিটি দেশ নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

ভারতও যেহেতু নিজের প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৮৮.৩ শতাংশ আমদানি করে দেশীয় চাহিদা পূরণ করে, তাই এই সংকট দেশের সাধারণ মানুষকেও প্রভাবিত করেছে। আমদানিকৃত তেলের বড় অংশ, অর্থাৎ ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পশ্চিম এশিয়া থেকেই আসে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষ যাতে বড় ধরনের দুর্ভোগে না পড়েন, সে বিষয়ে মোদী সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

যে সময় মাত্র ৩৫ কোটি জনসংখ্যার দেশ আমেরিকা সংকট মোকাবিলায় পেট্রলের দাম ৪৪.৫ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৪৮.১ শতাংশ বাড়িয়েছে, আর ৭ কোটি জনসংখ্যার দেশ ব্রিটেন পেট্রলে ১৯.২ শতাংশ ও ডিজেলে ৩৪.২ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি করেছে, সেই সময় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত গত ৩-৪ মাসে জনগণকে স্বস্তি দিয়ে পেট্রলে মাত্র ৩.২ শতাংশ এবং ডিজেলে ৩.৪ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি করেছে। বিশ্বে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো দেশগুলির মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন, বিবৃতিতে বলেছেন দিলীপকুমার শর্মা।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিচক্ষণতার প্রশংসা করে আরও বলা হয়ছে, দেশে কোনও সংকট এলেই তা মোকাবিলায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি তৎকালীন সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর করে পেট্রোলিয়াম মজুত এবং এলপিজি সরবরাহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করে দেশের মানুষের জন্য আশার বার্তা নিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা এবং মজবুত অর্থনৈতিক নীতির কারণেই ভারত এই সংকট সহজেই মোকাবিলা করতে পারবে বলেও বিবৃতিতে দৃঢ়তা প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতির শেষে সমগ্র দেশবাসীর পাশাপাশি অসমের জনগণকেও এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande