
নয়াদিল্লি, ১৬ মে (হি.স.) : ভোটার তালিকা সংক্রান্ত মামলায় সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে শুনানি ফের পিছিয়ে যাওয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে মামলার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার অভিযোগ তুললেন আবেদনকারী আইনজীবী বিকাশ ত্রিপাঠি । তাঁর দাবি, সোনিয়া গান্ধীর আইনজীবীরা সময়ের অভাবের অজুহাতে বারবার শুনানি পিছিয়ে দিচ্ছেন।
শনিবার আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিকাশ ত্রিপাঠী জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত সমস্ত নথি ইতিমধ্যেই জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তার পরেও বিরোধীপক্ষের তরফে কোনও সওয়াল করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে “তারিখের পর তারিখ” নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এদিনও সোনিয়া গান্ধীর আইনজীবী আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত ছিলেন না, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৪ জুলাই।
উল্লেখ্য, দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ-এর সেশনস কোর্টে ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় এফআইআর দায়েরের দাবিতে করা মামলার শুনানি এদিন পিছিয়ে যায়। বিশেষ বিচারপতি বিশাল গোগনে আগামী ৪ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।
আবেদনকারীর তরফে নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ১৮ এপ্রিল আদালত উভয় পক্ষকে লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
বিকাশ ত্রিপাঠী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেই নির্দেশকে সেশনস কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন, যেখানে এফআইআর দায়েরের আবেদন খারিজ করা হয়েছিল। গত ৯ ডিসেম্বর আদালত সোনিয়া গান্ধী এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস জারি করেছিল।
আবেদনে দাবি করা হয়েছে, সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালের এপ্রিলে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। সেই ক্ষেত্রে ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে ভুয়ো নথি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে, যা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে। এই ঘটনায় সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আবেদনকারী।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য