পশু জবাই সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি অধীর চৌধুরীর
কলকাতা, ১৭ মে (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে সম্প্রতি পশু জবাই সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে| সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলোতে এক ধরনের ‘অস্থিরতা’ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মুর্শ
মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর চিঠি


কলকাতা, ১৭ মে (হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে সম্প্রতি পশু জবাই সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে| সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলোতে এক ধরনের ‘অস্থিরতা’ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের সংখ্যালঘু মানুষের ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ও সমস্যার কথা তুলে ধরে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠালেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

রবিবার শুভেন্দুকে লেখা চিঠিতে অধীর উল্লেখ করেছেন, এই নির্দেশিকা জারির পর থেকে সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বরাবরই বিবিধ সংস্কৃতির মিলনভূমি। বহু বছর ধরে এখানে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের মতো করে ধর্মাচরণ করে আসছেন। নিজের জেলা মুর্শিদাবাদের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এই অস্থিরতা দূর করার দায়িত্ব রাজ্য সরকারেরই। প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী পরামর্শ দিয়েছেন, এই সমস্যার সমাধানে জেলা প্রশাসন অত্যন্ত সক্রিয় ও ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে। প্রশাসন যদি প্রতিটি এলাকায় কিছু নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিত করে দেয়, যেখানে মানুষ তাঁদের প্রচলিত ধর্মীয় রীতিনীতি ও ঐতিহ্য মেনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মাচরণ করতে পারবেন, তবেই এই অযথা বিভ্রান্তি কাটবে। এর ফলে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও অক্ষুণ্ণ থাকবে বলে মনে করেন তিনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande