শ্যামাপ্রসাদকে পূজো করেই দিন শুরু, ৮১ বছরের প্রবীণ বিজেপি কর্মী শ্যামসুন্দরের অনন্য নজির
আমতা, ১৮ মে (হি. স.): রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতিষ্ঠার পিছনে দীর্ঘদিনের কর্মী-সমর্থকদের অবদান যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারই এক অনন্য উদাহরণ হাওড়ার আমতা থানার কুশবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পানশিলা গ্রামের বাসিন্দা শ্যামসুন্দর সাঁতরা। ৮১ বছর বয়সে
শ্যামা প্রসাদকে পুজো


আমতা, ১৮ মে (হি. স.): রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রতিষ্ঠার পিছনে দীর্ঘদিনের কর্মী-সমর্থকদের অবদান যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারই এক অনন্য উদাহরণ হাওড়ার আমতা থানার কুশবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পানশিলা গ্রামের বাসিন্দা শ্যামসুন্দর সাঁতরা। ৮১ বছর বয়সেও তিনি আজও জনসংঘ ও বিজেপির আদর্শকে আঁকড়ে জীবনযাপন করছেন।দামোদর নদের তীরবর্তী পানশিলা গ্রামে বসবাসকারী শ্যামসুন্দরবাবু প্রতিদিন সকালে স্নান সেরে প্রথমেই পুজো করেন ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে। মা-বাবার ছবির পাশাপাশি তাঁর বাড়িতে বিশেষ মর্যাদায় স্থান পেয়েছে শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতি। স্থানীয়দের মতে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর এই ভক্তি ও শ্রদ্ধা এলাকায় এক আবেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।জানা গিয়েছে, শ্যামাপ্রসাদের অনুগামী ও সমাজসেবী প্রয়াত প্রসাদ চক্রবর্তীর প্রভাবেই তিনি সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালে জনসংঘের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরে ১৯৮০ সালে বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেন। বিজেপির প্রথম দিকের সভাপতি হরিপদ ভারতীর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।সোমবার শ্যামসুন্দর সাঁতরা বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ থাকত না। তিনি আমার কাছে ভগবানের সমান।” তাঁর এই নিষ্ঠা ও আদর্শের প্রতি অটল বিশ্বাসকে সম্মান জানিয়েছেন এলাকার বহু মানুষ।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande