কৃতিদের সংবর্ধনা ধনধান্যে প্রেক্ষাগৃহে, সাফল্য কামনা করে বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের
কলকাতা, ১৮ মে (হি.স.): প্রথম জীবনের সাফল্যকে পাথেয় করে জীবনের আসল যুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। মেধা, প্রতিভা ও অধ্যবসায়কে সম্বল করেই আজ কৃতিরা এই মঞ্চে হাজির হয়েছে। এবার বাংলায় শিল্প গড়ে তুলতে হবে, তৈরি করতে হবে নতুন নতুন মেডিক্যাল কলেজ। কৃতি ছাত্রছাত্
কৃতিদের সংবর্ধনা ধনধান্যে প্রেক্ষাগৃহে, সাফল্য কামনা করে বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের


কলকাতা, ১৮ মে (হি.স.): প্রথম জীবনের সাফল্যকে পাথেয় করে জীবনের আসল যুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। মেধা, প্রতিভা ও অধ্যবসায়কে সম্বল করেই আজ কৃতিরা এই মঞ্চে হাজির হয়েছে। এবার বাংলায় শিল্প গড়ে তুলতে হবে, তৈরি করতে হবে নতুন নতুন মেডিক্যাল কলেজ। কৃতি ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছেও আহ্বান জানাচ্ছি, নতুন শিক্ষানীতির আলোয় নিজেদের আরও বিকশিত করুন। সুযোগের জন্য অপেক্ষা নয়, সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। চরৈবেতি মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে এই বিরাট কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়ার সুদিন ফিরে এসেছে।

​সোমবার কলকাতার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত ২০২৬ সালের কৃতি ছাত্রছাত্রীদের মহতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কার্যত এভাবেই অনুষ্ঠানের মূল সুর বেঁধে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখার আগে শমীকবাবু তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করে দেন, এটাই হবে আগামী দিনের বাংলার লক্ষ্য।

​এদিন কৃতি ছাত্রছাত্রীদের রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ড. শঙ্কর ঘোষ সহ শিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

​প্রধান অতিথির ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত কৃতি ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। তিনি মেধার বিকাশের পাশাপাশি রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। শমীক ভট্টাচার্য ও মুখ্যমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যের পর মঞ্চ থেকে কৃতিদের হাতে রাজ্য সরকারের বিশেষ পুরস্কার ও অভিজ্ঞানপত্র তুলে দেওয়া হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande