বিশ্ব জাদুঘর দিবসে সাজ সাজ রব, আগ্রহীদের জন্য আকর্ষণীয় নানা দ্রষ্টব্য
কলকাতা, ১৮ মে (হি.স.): বিশ্ব জাদুঘর দিবস উপলক্ষে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের নানা জাদুঘর ১৮ মে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জাদুঘরে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ প্রদর্শনী, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন। কলকাতায় বড় মাপের আয়োজন হচ
বিশ্ব জাদুঘর দিবসে সাজ সাজ রব, আগ্রহীদের জন্য আকর্ষণীয় নানা দ্রষ্টব্য


কলকাতা, ১৮ মে (হি.স.): বিশ্ব জাদুঘর দিবস উপলক্ষে ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের নানা জাদুঘর ১৮ মে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন জাদুঘরে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ প্রদর্শনী, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন।

কলকাতায় বড় মাপের আয়োজন হচ্ছে ভারতীয় জাদুঘর এবং ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে। বিশ্ব জাদুঘর দিবসে গত বছরের প্রতিপাদ্য ছিল, “দ্রুত পরিবর্তনশীল সম্প্রদায়ে জাদুঘরের ভবিষ্যৎ”। এবারের প্রতিপাদ্য– ‘বিভক্ত বিশ্বকে একত্র করছে জাদুঘর’। প্রতি বছরের মত এদিনও দিবসটিতে কিছু জাদুঘর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বিষয়ভিত্তিক সেমিনার ও বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করবে।

ভারতের বিভিন্ন জায়গায় জনপ্রিয় কিছু মিউজ়িয়াম রয়েছে। বেঙ্গালুরুর বিশ্বেশ্বরাইয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও টেকনোলজিক্যাল মিউজ়িয়াম খুবই প্রসিদ্ধ। নেহরু সায়েন্স সেন্টার, কলকাতার সায়েন্স সিটি এই সব মিউজ়িয়ামে আপনি বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কারের ইতিহাস সম্পর্ক জানতে পারবেন। আন্দামানের জনপ্রিয় সেলুলার জেলও এখন মিউজ়িয়ামে পরিণত হয়েছে। এখানে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের করুন পরিণতি ইতিহাস জানা যায়।

এই দিন আর একটা বিষয়ের স্মরণ না করলেই নয়। ১৮১৪ সালে ওয়ালিচ এশিয়াটিক সোসাইটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহশালা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি লেখেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে নিজ সংগ্রহ থেকে কিছু দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন ও নমুনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। সোসাইটির সদস্যরা সানন্দে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এই কাজে এগিয়ে আসেন কলিন ম্যাকেঞ্জি, চার্লস স্টুয়ার্ট, রামকমল সেনের মতো বিশিষ্ট সংগ্রাহকরাও। ব্রিটিশ, ভারতীয় ও দিনেমারের সম্মিলিত উদ্যোগে সে বছরই কলকাতায় যাত্রা শুরু করে ‘ইন্ডিয়ান মিউজ়িয়ম’। একটি বিভাগের সুপারিনটেন্ডেন্ট নিযুক্ত হন ওয়ালিচ। এশিয়ার প্রথম সংগ্রহশালা সেটাই।

ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস (আইকম) বা আন্তর্জাতিক জাদুঘর পরিষদের আহ্বানে বিশ্বের সব জাদুঘরের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং জাদুঘরের গুরুত্ব ও অবদান তুলে ধরতে ১৯৭৭ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

মানুষের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর প্রদর্শন এবং ছাত্র, শিক্ষক ও গবেষকদের জ্ঞানের পরিধি সম্প্রসারণ দিবসটি উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande