জল সংরক্ষণে সচেতনতার বার্তা, আগরতলায় মহিলা মহাবিদ্যালয়ের এনএসএস ইউনিটের পদযাত্রা
আগরতলা, ১৮ মে (হি.স.) : ক্রমবর্ধমান জলসংকট এবং পানীয় জলের অপচয় রোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে সোমবার উদ্যোগী হল আগরতলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের জাতীয় সেবা প্রকল্প (এনএসএস) ইউনিট। এনএসএস ইউনিটের উদ্যোগে রাজধানী আগরতলায় সচেতনতামূলক পদয
সচেতনতার পদযা


আগরতলা, ১৮ মে (হি.স.) : ক্রমবর্ধমান জলসংকট এবং পানীয় জলের অপচয় রোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে সোমবার উদ্যোগী হল আগরতলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের জাতীয় সেবা প্রকল্প (এনএসএস) ইউনিট। এনএসএস ইউনিটের উদ্যোগে রাজধানী আগরতলায় সচেতনতামূলক পদযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সোমবার সকালে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়। এতে এনএসএস-এর স্বেচ্ছাসেবিকারা, শিক্ষক-শিক্ষিকা অংশ নেন। হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান নিয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করেন তাঁরা। পদযাত্রা চলাকালীন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জল অপচয় বন্ধ করা, পানীয় জলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলসম্পদ সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়।

পাশাপাশি পথচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে জল সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। লিফলেটে দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে অপ্রয়োজনীয় জল ব্যবহার কমানো যায় এবং সচেতনতার মাধ্যমে কীভাবে বড় ধরনের জলসংকট এড়ানো সম্ভব, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

এদিন আগরতলা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের এনএসএস ইউনিটের পক্ষ থেকে সালমনি চক্রবর্তী জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিমধ্যেই জলসংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন একসময় জলশূন্য শহর হিসেবে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে এসেছিল। তিনি বলেন, “জল অপচয় রোধে এখনই সচেতন না হলে ভবিষ্যতে আমাদের রাজ্যসহ দেশের বিভিন্ন এলাকাও একই ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, জল আমাদের জীবনের অন্যতম অপরিহার্য সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজ—সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। ছোট ছোট সচেতনতামূলক পদক্ষেপই ভবিষ্যতে বড় বিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।

এনএসএস ইউনিটের এই উদ্যোগকে শহরবাসী স্বাগত জানান। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজন করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও বেশি সচেতনতা তৈরি হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande