দুর্গাপুরে দুই বিধায়ককে সংবর্ধনা খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংস্থার
দুর্গাপুর, ১৯ মে (হি.স.) : দুর্গাপুরের দুই নবনির্বাচিত বিধায়ককে সংবর্ধনা জানালেন মহকুমার বিশিষ্ট খেলোয়াড়, ক্রীড়াবিদ ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধিরা। সোমবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুরের সিধু-কানু স্টেডিয়ামে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সংব
দুর্গাপুরে দুই বিধায়ককে সম্বর্ধনা দিল  খেলওয়াড়রা ও ক্রীড়া সংস্থা


দুর্গাপুর, ১৯ মে (হি.স.) : দুর্গাপুরের দুই নবনির্বাচিত বিধায়ককে সংবর্ধনা জানালেন মহকুমার বিশিষ্ট খেলোয়াড়, ক্রীড়াবিদ ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধিরা। সোমবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুরের সিধু-কানু স্টেডিয়ামে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষন ঘড়ুই এবং দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর ব্যানার্জী ।

জেলা পাওয়ার লিফটিং, বডিবিল্ডিং, ক্যারাটে, কাবাডি, যোগা, কিক বক্সিং ও ব্যাডমিন্টন সংস্থার পাশাপাশি জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফেও দুই বিধায়ককে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জনকারী একাধিক খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মহিলা ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মমতা কিস্কু, জ্যাভলিন থ্রো-তে জাতীয় স্তরে সোনা জয়ী অন্বেষা টুডু, কাবাডিতে আটবার জাতীয় স্তরে প্রতিনিধিত্বকারী ও খেলো ইন্ডিয়ায় ব্রোঞ্জজয়ী দীপা রুইদাস, কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়ী সীমা দত্ত চ্যাটার্জী-সহ বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদরা।

সংবর্ধনা পেয়ে আপ্লুত দুই বিধায়কই ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নের আশ্বাস দেন। দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর ব্যানার্জী বলেন, “বিগত সরকারের আমলে বহু ক্রীড়া সংস্থায় রাজনীতির প্রভাব বেড়েছিল। প্রকৃত খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। নতুন সরকার চাইছে, ক্রীড়া সংস্থার নেতৃত্বে খেলোয়াড়রাই থাকুন এবং সরকার তাঁদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করবে।”

অন্যদিকে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, “আগের সরকার খেলাধুলার উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও বাস্তবে পরিকাঠামোর উন্নতি হয়নি। নতুন সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে খেলাধুলার মানোন্নয়নে কাজ করবে, যাতে জেলার প্রতিভাবান ছেলে-মেয়েরা আরও এগিয়ে যেতে পারে।”

এদিন অনুষ্ঠানে মহিলা খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande