মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অপরাধে তারকেশ্বরে ধৃত তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ ৫
তারকেশ্বর, ২০ মে (হি.স.): মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে হুগলির তারকেশ্বর থেকে এক তৃণমূল বুথ সভাপতি সহ পাঁচজন সক্রিয় দলীয় কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার চন্দননগর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে ধৃতদের। লোকসভা নির্বাচনের পর হুগল
সাংবাদিক সম্মেলনে হুগলি রুরাল অতিরিক্ত গ্রামীণ পুলিশ সুপার শৈলজা দাস


তারকেশ্বর, ২০ মে (হি.স.): মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে হুগলির তারকেশ্বর থেকে এক তৃণমূল বুথ সভাপতি সহ পাঁচজন সক্রিয় দলীয় কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার চন্দননগর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়েছে ধৃতদের। লোকসভা নির্বাচনের পর হুগলি গ্রামীণ পুলিশের এই বড়সড় পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত তৃণমূল বুথ সভাপতির নাম অরূপ বাগ। তার সঙ্গে ওই এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী মঙ্গল পাত্র সহ শচীন অধিকারী, অমিত দাস এবং সুকুমার কোলে নামে আরও চার সক্রিয় তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে তারকেশ্বর থানার পুলিশ।

​আজ, বুধবার হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলজা দাস একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেন। তিনি জানান, গত কয়েক মাস আগে তারকেশ্বরের তেঘরী এলাকায় শিশির বেরা নামে এক মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার দিন ধৃত তৃণমূল নেতা ও কর্মীরা ওই এলাকায় দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন। সেই সময় মৃত শিশির বেরার সঙ্গে কোনও কারণে তাঁদের বচসা শুরু হয়। বচসা চলাকালীন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই তৃণমূল কর্মীরা শিশিরবাবুকে বেধড়ক মারধর করেন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর বাড়ির সামনেই ফেলে রেখে চম্পট দেন। ওই নৃশংস মারধরের জেরেই পরবর্তীতে শিশির বেরার মৃত্যু হয় বলে পুলিশি তদন্তে ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট হয়েছে।

​ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছিল। দোষীদের খোঁজে পুলিশ একটি বিশেষ দল গঠন করে টানা তল্লাশি অভিযান চালায়। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একে একে ওই পাঁচ তৃণমূল নেতা-কর্মীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে তারকেশ্বর থানার পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা ছিল কি না, তা আরও খতিয়ে দেখতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande