ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনাসভা কনসার্ন ফর ক্যালকাটা-র উদ্যোগে
কলকাতা, ২২ মে (হি. স.): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বদলে দিচ্ছে আমাদের চেনা জগতের সমীকরণ। ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তির বাজারে টিকে থাকতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোনও বিকল্প নেই। চ্যাটজিপিটি থেকে শুরু করে জেমিনি— বর্তমান পৃথিবী ক্রমেই হয়ে উঠছে এআই
ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আলোচনা চক্রের আয়োজনে কনসার্ন ফর ক্যালকাটা


ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আলোচনা চক্রের আয়োজনে কনসার্ন ফর ক্যালকাটা


কলকাতা, ২২ মে (হি. স.): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বদলে দিচ্ছে আমাদের চেনা জগতের সমীকরণ। ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তির বাজারে টিকে থাকতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কোনও বিকল্প নেই। চ্যাটজিপিটি থেকে শুরু করে জেমিনি— বর্তমান পৃথিবী ক্রমেই হয়ে উঠছে এআই-কেন্দ্রিক। প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিচিত হতে, প্রযুক্তির জোয়ারে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে শুক্রবার এআই সংক্রান্ত এক আলোচনাসভা হয়ে গেল কলকাতার রোটারি সদনে। আলোচনার বিষয় ছিল ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা|

আয়োজক সংস্থা কনসার্ন ফর ক্যালকাটা। সহযোগিতায় ছিল ক্যালকাটা সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভ (সিসিআই), রাজস্থান বেঙ্গল মৈত্রী পরিষদ (আরবিএমপি) এবং চুরু নাগরিক পরিষদ (সিএনপি)-এর মতো একাধিক সংগঠন। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী বাঙালি প্রযুক্তিবিদ সুগত দাস। অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণ জৈন, জি এম কাপুর, কে এন গুপ্তা, লেখা শর্মা, বি. এল দুগার, পবন পাহাড়িয়া, দীপক জৈনের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উল্লেখ্য, এদিনের আলোচনাসভায় নাম নথিভুক্ত করেছিলেন প্রায় শতাধিক মানুষ। নারায়ণ জৈনের স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে সূচনা হয় আলোচনাসভার। এরপর অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় টিসিএস-এর সিনিয়র কনসালটেন্ট ডঃ কল্লোল বসুর হাতে।

এদিনের বক্তা প্রযুক্তিবিদ সুগত দাসের আলোচনায় উঠে আসে বিশ্বের ছোট-বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলির বর্তমান অবস্থান। বক্তার দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ৮৮ শতাংশ সংস্থা কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে ৯২ শতাংশ সংস্থা এআই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে চলেছে ২৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠে আসে এআই ব্যবহারের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার প্রসঙ্গও। একসময় যে এআই ছিল প্রাত্যহিক জীবনে ব্যক্তিবিশেষের যাপনের সঙ্গী, তা আজ হয়ে উঠেছে বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থাগুলির সিদ্ধান্ত গ্রহণের হাতিয়ার। সংস্থাগুলি সাংগঠনিক পরিকাঠামোকে আরও মজবুত করে তুলতে ও বিপণনের ক্ষেত্রে অহরহ ব্যবহার করছে এআই। আলোচনায় উঠে আসে কর্পোরেট ক্ষেত্রে চ্যাট জিপিটি ও নাইন সলিউশনের মতো বেশ কয়েকটি এআই অ্যাপের ব্যবহারিক ভিন্নতার দিকগুলিও। তবে মানব-মেধাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উর্ধ্বে স্থান দেন এই প্রযুক্তিবিদ|

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রবাসী বাঙালি প্রযুক্তিবিদ সুগত দাস দু' দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিক্ষেত্রে যুক্ত।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক




 

 rajesh pande