চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া আর মিলবে না স্নায়ুর ব্যথা ও উদ্বেগের ওষুধ ‘প্রেগাবালিন’
নয়াদিল্লি, ২২ মে (হি.স.) : দেশে এবার থেকে স্নায়ুর ব্যথা, মৃগী, উদ্বেগজনিত সমস্যা (অ্যাংজাইটি) ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘প্রেগাবালিন’ ওষুধ শুধুমাত্র চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখিয়েই কেনা যাবে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে
চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া আর মিলবে না স্নায়ুর ব্যথা ও উদ্বেগের ওষুধ ‘প্রেগাবালিন’


নয়াদিল্লি, ২২ মে (হি.স.) : দেশে এবার থেকে স্নায়ুর ব্যথা, মৃগী, উদ্বেগজনিত সমস্যা (অ্যাংজাইটি) ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘প্রেগাবালিন’ ওষুধ শুধুমাত্র চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখিয়েই কেনা যাবে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওষুধটির ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়া সহজলভ্যতা রুখতেই প্রেগাবালিনকে ‘শিডিউল এইচ-১’-এর আওতায় আনা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, এখন থেকে ওষুধ বিক্রেতাদের এই ওষুধ বিক্রির পূর্ণ নথি সংরক্ষণ করতে হবে। নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে এই ওষুধ নেশার উপকরণ হিসেবেও ব্যবহৃত হওয়ার একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এরপরই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিডিউল এইচ-১-এর আওতায় আনার ফলে ওষুধটির উপর নজরদারি আরও কড়া হবে এবং বেআইনি বিক্রি রোধ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি রোগীদের নিরাপত্তাও আরও নিশ্চিত করা যাবে।

এখন থেকে শুধুমাত্র নথিভুক্ত চিকিৎসকের বৈধ প্রেসক্রিপশন থাকলেই এই ওষুধ কেনা যাবে। খুচরো ওষুধ বিক্রেতা ও কেমিস্টদের আলাদা রেজিস্টারে ওষুধ লিখে দেওয়া চিকিৎসক এবং ক্রেতার নাম, ঠিকানা ও ওষুধের পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে।

এছাড়াও প্রেগাবালিনের প্যাকেটের উপর লাল অক্ষরে স্পষ্ট ভাবে ‘সতর্কীকরণ’ লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande