বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর ফের তৃণমূলে বেসুর, বিস্ফোরক পোস্ট কালোবরণ মণ্ডলের
দুর্গাপুর, ২২ মে (হি.স.) : বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের অসন্তোষ। রানিগঞ্জের পরাজিত প্রার্থী তথা অন্ডাল ব্লকের প্রভাবশালী নেতা কালোবরণ মণ্ডল সামাজিক মাধ্যমে বিস্ফোরক পোস্ট করে দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্
বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর ফের তৃণমূলে বেসুর, বিস্ফোরক পোস্ট কালোবরণ মণ্ডলের


দুর্গাপুর, ২২ মে (হি.স.) : বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের অসন্তোষ। রানিগঞ্জের পরাজিত প্রার্থী তথা অন্ডাল ব্লকের প্রভাবশালী নেতা কালোবরণ মণ্ডল সামাজিক মাধ্যমে বিস্ফোরক পোস্ট করে দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “দলের রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে নিলে, দলীয় কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ নিজের কানে শোনার ও প্রতিকার করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে সঙ্গে আছি, নইলে নেই।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে জেলা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক সভাপতি কিরিটি মুখোপাধ্যায়, প্রাক্তন ব্লক সহ-সভাপতি গুরুপ্রসাদ চক্রবর্তী এবং লাউদোহার প্রাক্তন ব্লক সভাপতি সুজিত মুখোপাধ্যায় প্রকাশ্যে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। এবার খোদ পরাজিত প্রার্থীর মুখে একই সুর শোনা যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা আরও জোরদার হয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কালোবরণ মণ্ডলের এই মন্তব্য পরোক্ষে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকেই নিশানা করেছে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই জেলা সভাপতির সঙ্গে কালোবরণ মণ্ডলের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি।

দলের অন্দরে বর্তমানে হারের দায় জেলা সভাপতির উপর চাপানোর প্রবণতা বাড়ছে বলেও সূত্রের খবর। জেলা সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলয়ে থাকা একাধিক নেতার দূরত্ব তৈরি হওয়া এবং প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ, তৃণমূলের অন্দরের অসন্তোষকেই সামনে এনে দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande