ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স-র ফল প্রকাশ, পিসিএম-এ শীর্ষে অর্ঘ্যজ্যোতি, পিসিবি-তে বৈভব রায়
আগরতলা, ২২ মে (হি.স.) : ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (টিজেইই) ২০২৬-এর ফলাফল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বোর্ডের চেয়ারম্যান ফল প্রকাশ করেন। ফল প্
জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ


আগরতলা, ২২ মে (হি.স.) : ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (টিজেইই) ২০২৬-এর ফলাফল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন ত্রিপুরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বোর্ডের চেয়ারম্যান ফল প্রকাশ করেন। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যজুড়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এবারের টিজেইই পরীক্ষায় রাজ্যের মোট ১৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৭৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৬ জন ছাত্র এবং ২ হাজার ৬৪৫ জন ছাত্রী ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষায় ছাত্রীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যের মেয়েদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সাফল্যের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন শিক্ষা মহলের একাংশ।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের মধ্যে ৬০৪ জন পরীক্ষার্থী শুধুমাত্র পিসিএম (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও গণিত) গ্রুপে পরীক্ষা দিয়েছে। অন্যদিকে ২ হাজার ৬৬৬ জন পরীক্ষার্থী পিসিবি (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও জীববিদ্যা) গ্রুপে অংশ নেয়। এছাড়া ১ হাজার ৪৬১ জন পরীক্ষার্থী উভয় গ্রুপেই পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

জেলা ভিত্তিক পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় সর্বাধিক আটটি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। বাকি প্রতিটি জেলায় একটি করে কেন্দ্র রাখা হয়।

ফলাফলে পিসিএম গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছে অর্ঘ্যজ্যোতি সাহা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অনিমেষ সরকার এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে আকাশ চৌধুরী। অন্যদিকে পিসিবি গ্রুপে প্রথম স্থান দখল করেছে বৈভব রায়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আকাশ চৌধুরী এবং তৃতীয় স্থানে অর্ণব মিত্র।

ফল প্রকাশের পর বহু সফল পরীক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। কারণ টিজেইই-এর ফলাফলই মূলত রাজ্যের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল এবং অন্যান্য পেশাদার কোর্সে ভর্তির পথ নির্ধারণ করে।

শিক্ষা পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের ফলাফলে ছাত্রীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে আরও ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও পেশাদার শিক্ষার প্রতি আগ্রহও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফল প্রকাশের পর এখন ছাত্রছাত্রীদের নজর কাউন্সেলিং ও ভর্তি প্রক্রিয়ার দিকে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিভিন্ন পেশাদার কোর্সে ভর্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande