বিশ্বকাপে ডাচ দলের শক্তি তাদের ডিফেন্স
কলকাতা, ২৫ মে (হি.স.): ২০২৬ বিশ্বকাপে কি ডানা মেলে ‘কমলা’র সৌরভ ছড়াতে পারবেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়াং-ভার্জিল অফন ডাইকরা? উত্তরটা পেতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। তবে ‘আমরা পারব’—এমন একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বাদশবারের মতো বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ডাচরা। ইউরোপ
এবার কি বিশ্বকাপে ডানা মেলবে ডাচরা


কলকাতা, ২৫ মে (হি.স.): ২০২৬ বিশ্বকাপে কি ডানা মেলে ‘কমলা’র সৌরভ ছড়াতে পারবেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়াং-ভার্জিল অফন ডাইকরা? উত্তরটা পেতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। তবে ‘আমরা পারব’—এমন একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে দ্বাদশবারের মতো বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ডাচরা।

ইউরোপীয় অঞ্চলের বাছাইয়ে অপরাজিত থেকেই চূড়ান্ত পর্বে এসেছে রোনাল্ড কোম্যানের দল। ‘জি’ গ্রুপের ৮ ম্যাচের ৬টিতে জয় এবং বাকি দুটোয় ড্র করে অপরাজিত ভাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে তারা। ৮ ম্যাচে করেছে ২৫ গোল। খেয়েছে মাত্র ২টি। এই ফর্মটাকে বিশ্বকাপে ধরে রাখতে চায় ডাচরা। অভিযান শুরুর আগে কোচ রোনাল্ড কোম্যান অবশ্য স্বীকার করে নিচ্ছেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স কিংবা স্পেনের মতো ফেবারিট নয় নেদারল্যান্ডস। তবে তিনি মনে করেন, ‘মানুষ হয়তো আমাদের বিশ্বকাপের জেতার মতো ফেভারিট হিসেবে দেখছে না। তবে নেদারল্যান্ডসের আসল শক্তি হলো, আমরা যেকোনো দলকে হারাতে পারি, কারণ সেই সামর্থ্য আমাদের আছে।’

এবার ডাচ দলের শক্তির জায়গা তাদের ডিফেন্স। অধিনায়ক ফন ডাইক ছাড়াও তাদের রক্ষণে আছে নাথান আকে, মিকি ফন ডে ফেন, জুরিয়েন টিম্বার। ফ্রেঙ্কি ডি ইয়াং, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, তিজাননি রেইন্ডার্সদের নিয়ে গড়া দলটির মধ্যমাঠও বেশ শক্তিশালী। তবে চোটের কারণে তারা মিস করবে সম্ভবনাময় ম্যাথিয়াস ডি লিটকে।

বল দখলে রাখা, দ্রুত পাসিং ও আক্রমণাত্মক ট্রানজিশনে ফুটবল সুন্দর হয়ে উঠে ডাচদের পায়ে। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে সুইডেনের বিপক্ষে ইয়োহান ক্রুইফের ‘ক্রুইফ টার্ন’, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ডেনিস বার্গক্যাম্পের অসাধারণ ফুটবল কিংবা ২০১৪ বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ফন পার্সির ‘ফ্লাইং ডাচম্যান’ হয়ে ওঠা দল ছাপিয়ে বিশ্বকাপেরই এক একটি সুন্দরতম মুহূর্ত। এবারও কি এমন কিছু দেখা যাবে ডাচদের খেলায়?

তাদের দলে আছে তারকা ফুটবলার ভার্জিল ফন ডাইক।

আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা সেন্টার ব্যাক এই ভার্জিল ফন ডাইক। এবারের বিশ্বকাপে ডাচ দলের রক্ষণকে যে শক্তিশালী বলা হচ্ছে তা ওই ফন ডাইকের জন্যই। তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি শারীরিক সামর্থ, দুর্দান্ত পজিশনিং এবং বল পায়ে আত্মবিশ্বাস। আকাশে বলের লড়াই, ট্যাকটিক্যাল সচেতনতা ও পেছন থেকে আক্রমণ গড়ার দক্ষতায় তিনি অনন্য। মাঠে তার নেতৃত্বগুণ ও ডিফেন্স সংগঠিত করার ক্ষমতা ফন ডাইককে দলের মানসিক ভরসায় পরিণত করেছে।

ডাচদের বিশ্বকাপ পরিসংখ্যান:

**বিশ্বকাপে অংশগ্রহন: ১২ বার।

**সেরা সাফল্য: রানার্সআপ (১৯৭৪,১৯৭৮ ও ২০১০)

**বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের পারফরম্যান্স:

ম্যাচ ৫৫, জয় ৩০, ড্র ১৪, হার ১১

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের গ্রুপ পর্বের সূচি:

**১৪ জুন,জাপান, ডালাস, রাত ২টা

**২০ জুন, সুইডেন, হিউস্টন, রাত ১১টা।

**২৬ জুন, তিউনিসিয়া, কানসাস সিটি ,ভোর ৫টা।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / শান্তি রায়চৌধুরি




 

 rajesh pande