তীব্র গরমের মাঝেই উত্তরাখণ্ডে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, রাজ্যে আসছেন নীতিন ও রাহুল
দেহরাদূন, ২৭ মে (হি.স.) : দেশের অন্যান্য অংশের মতো উত্তরাখণ্ডেও চলছে তীব্র গরম। তবে আবহাওয়ার উত্তাপের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক পারদও চড়তে চলেছে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-র সফরকে ঘিরে। আগামী ২৮ মে থেকে শুরু
তীব্র গরমের মাঝেই উত্তরাখণ্ডে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ, রাজ্যে আসছেন নীতিন ও রাহুল


দেহরাদূন, ২৭ মে (হি.স.) : দেশের অন্যান্য অংশের মতো উত্তরাখণ্ডেও চলছে তীব্র গরম। তবে আবহাওয়ার উত্তাপের পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক পারদও চড়তে চলেছে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-র সফরকে ঘিরে। আগামী ২৮ মে থেকে শুরু হচ্ছে নীতিন নবীনের তিন দিনের উত্তরাখণ্ড সফর। এরপর ৪ ও ৫ জুন রাজ্যের একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেবেন রাহুল গান্ধী।

আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তরাখণ্ডে রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই নিজেদের কৌশল সাজাতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনঘন সফরই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জমজমাট হতে চলেছে।

তুলনামূলকভাবে ছোট রাজ্য হলেও উত্তরাখণ্ডকে বিজেপি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র আমলে একাধিকবার তা স্পষ্ট হয়েছে। গত ১২ বছরে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফরের সংখ্যা নজরকাড়া। পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতারাও নিয়মিত রাজ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই উত্তরাখণ্ড সফরের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর তিন দিনের সফরকে ঘিরে রাজ্য বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। যদিও দলীয়ভাবে মিতব্যয়িতার বার্তা বজায় রাখার চাপ রয়েছে, তবুও এই সফরের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি। সফরকালে বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, সংগঠনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা এবং দুর্বল জায়গাগুলি চিহ্নিত করে তা মজবুত করার চেষ্টা করবেন তিনি।

অন্যদিকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেসও নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রস্তুতিতে কংগ্রেস এখনও বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও স্থানীয় নেতারা সক্রিয়তা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সেই আবহেই চূড়ান্ত হয়েছে রাহুল গান্ধীর উত্তরাখণ্ড সফরসূচি।

আগামী ৪ জুন কুমায়ুঁ অঞ্চলের আলমোড়া এবং গাড়োয়াল অঞ্চলের পৌড়িতে কর্মসূচিতে যোগ দেবেন রাহুল। ৫ জুন দেহরাদূনে দলীয় পদাধিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনী প্রস্তুতি পর্যালোচনা করবেন তিনি। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করেও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সফরকে ঘিরে উত্তরাখণ্ডের রাজনৈতিক পরিবেশ যে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে, তা বলাই বাহুল্য।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande