দিল্লিতে মোদী-সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে দেখা না করেই চেন্নাই ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়
চেন্নাই, ২৮ মে (হি.স.) : তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে চেন্নাই ফিরে গিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাঁর দিল্লি সফ
চেন্নাই ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়


চেন্নাই, ২৮ মে (হি.স.) : তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে চেন্নাই ফিরে গিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তাঁর দিল্লি সফরের আর একটি দিক—কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক না করেই তিনি দিল্লি ছেড়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম সরকারি সফরে জন্য দিল্লি গিয়েছিলেন বিজয়। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ বিশেষ বিমানে চেন্নাই থেকে রওনা দিয়ে দুপুরে রাজধানীতে পৌঁছন তিনি। দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে তামিলনাড়ু ভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে রাজ্যের আধিকারিকরা তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান। পরে পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হয়।

এরপর বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর দফতরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন বিজয়। বৈঠকে তিনি তামিলনাড়ু সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও সমস্যা নিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। বিশেষ করে মেকেদাতু বাঁধ বিতর্ক এবং ‘তামিল থাই ভাঝ্থু’ সংক্রান্ত ইস্যু বৈঠকে উত্থাপন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। সেখানে তিনি তামিলনাড়ুর উন্নয়নের জন্য বন্দর, জাতীয় সড়ক, রেল প্রকল্প এবং শিল্প করিডরের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তার দাবি জানান। পাশাপাশি হোসুর, কোয়েম্বাটুর এবং মাদুরাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক শহরে মেট্রো রেল প্রকল্প চালুর আবেদনও করেন।

তবে এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ না হওয়া। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার তাঁর কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু কোনও সাক্ষাৎ না করেই তিনি এদিন দুপুরের মধ্যেই দিল্লি ছেড়ে চেন্নাই ফিরে যান।

এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও বৃহস্পতিবার কংগ্রেস সাংসদ ক্রিস্টোফার তিলক এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১১ জুন নীতি আয়োগের বৈঠকে অংশ নিতে আবারও দিল্লি আসবেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। সেই সময় সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্রিস্টোফার তিলক আরও বলেন, বর্তমানে দিল্লিতে কংগ্রেসের অভ্যন্তরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং কৌশলগত আলোচনা চলছে। কর্নাটকের বহু শীর্ষ কংগ্রেস নেতা দিল্লিতে রয়েছেন এবং গত দু’দিন ধরে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা আসন বণ্টন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে দলের ভিতরে নিবিড় আলোচনা চলছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande