
চণ্ডীগড়, ২৯ মে (হি.স.) : পাঞ্জাবের ৮টি পুরনিগম, ৭৫টি পৌর পরিষদ এবং ১৯টি নগর পঞ্চায়েতের নির্বাচনের ভোটগণনা শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। রাজ্যজুড়ে ১১৫টি গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোট গণনা চলছে। ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ হওয়ায় গণনার গতি তুলনামূলক ধীর। ফলে সামগ্রিক ফল প্রকাশে রাত পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সামানা পৌর পরিষদে প্রায় ৩৫ মিনিট দেরিতে গণনা শুরু হয়।
সকাল ১০টা পর্যন্ত পাওয়া প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, আম আদমি পার্টি (এএপি) এগিয়ে রয়েছে। সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এএপি ইতিমধ্যেই ৮৯টি আসনে জয়লাভ করেছে এবং আরও ৭৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। নির্দল প্রার্থীরাও ২৩টি আসনে জয় পেয়েছে এবং ৩৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, শিরোমণি অকালি দল ২৫টি আসনে জয়লাভ করেছে এবং আরও ২৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। কংগ্রেস ১৬টি আসনে জিতেছে এবং ২৫টি আসনে এগিয়ে আছে। বিজেপি ২টি আসনে জয় পেয়েছে এবং ১১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বহুজন সমাজ পার্টিও একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ বারের পুরভোটে মোট ৮০ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বাধিক ৬৩ জন আম আদমি পার্টির। এছাড়া শিরোমণি আকালি দলের ৯ জন, কংগ্রেসের ১ জন এবং ৭ জন নির্দল প্রার্থী কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই নির্বাচনে জিতেছেন।
ভোটগণনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। শুধুমাত্র অনুমোদিত প্রার্থী ও তাদের গণনা এজেন্টদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। স্ট্রং রুম এবং গণনাকেন্দ্রগুলিতে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। মোতায়েন রয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে চলছে গণনা প্রক্রিয়া।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজ কমল চৌধুরী জানিয়েছেন, এক একটি রাউন্ডে একটি করে ওয়ার্ডের ভোট গণনা সম্পন্ন করা হবে। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে ১০ থেকে ১৪টি টেবিলে একসঙ্গে ভোটগণনার কাজ চলছে। এ বছরের পুরভোটে মোট ৭ হাজার ৫৫৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস