ধর্মান্তরিতদের সংরক্ষণ সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সতেন্দ্র সিং
নয়াদিল্লি, ২৯ মে (হি.স.) : ধর্মান্তরণ এবং তফসিলি জনজাতির সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘ডি-লিস্টিং’-এর দাবি তুললেন বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের জাতীয় সভাপতি সতেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, মাত্র ১০ শতাংশ ধর্মান্তরিত মানুষ ৭০ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা ভোগ করছেন।
ধর্মান্তরিতদের সংরক্ষণ সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সতেন্দ্র সিং


নয়াদিল্লি, ২৯ মে (হি.স.) : ধর্মান্তরণ এবং তফসিলি জনজাতির সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘ডি-লিস্টিং’-এর দাবি তুললেন বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের জাতীয় সভাপতি সতেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, মাত্র ১০ শতাংশ ধর্মান্তরিত মানুষ ৭০ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা ভোগ করছেন।

শুক্রবার নয়াদিল্লির সংস্কার ভারতীতে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে সতেন্দ্র সিং বলেন, ধর্মান্তরণের পরেও বহু মানুষ তফসিলি জনজাতির সংরক্ষণের সুবিধা নিচ্ছেন। তাঁদের চিহ্নিত করে ডি-লিস্টিং করার দাবি জানানো হয়েছে সরকারের কাছে। তিনি বলেন, জনজাতি সমাজ দেশের গৌরব এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ব্রিটিশরা প্রচার করেছিল জনজাতিদের কোনও ধর্ম নেই, কিন্তু তা সম্পূর্ণ ভুল বলেও দাবি করেন তিনি।

সতেন্দ্র সিংয়ের অভিযোগ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও জনজাতি সমাজ প্রকৃত ন্যায়বিচার পায়নি। তিনি দাবি করেন, ধর্মান্তরিতদের একাংশ সংরক্ষণের অধিকাংশ সুবিধা ভোগ করছে। ডঃ জিতেন্দ্র বাজাজ এবং কার্তিক ওরাঁওয়ের গবেষণার উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১০ শতাংশ ধর্মান্তরিত মানুষ ৭০ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা নিচ্ছেন।”

অনুচ্ছেদ ৩৪২ এবং ধর্মান্তরণ প্রসঙ্গে তিনি লোকুর কমিটির সুপারিশের উল্লেখ করে বলেন, জনজাতি সমাজের স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ জরুরি। তাঁর দাবি, কেউ যদি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্ম গ্রহণ করেন, তবে তাঁর তফসিলি জনজাতির সুবিধা পাওয়া উচিত নয়।

তিনি জানান, এই দাবিগুলি নিয়ে জনজাতি সমাজের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছে।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চের জাতীয় সহ-সমন্বয়ক রাজকিশোর হাঁসদা। তিনি বলেন, ভগবান বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ মে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসূচি পালিত হয়েছে এবং পাঁচটি স্থান থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande