এআই যতই এগোক, রাজনৈতিক কার্টুনে মানুষের বিকল্প নয়: সুবানি
বেঙ্গালুরু, ১৩ জুন (হি. স.) : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন ছবি আঁকা, ক্যারিকেচার বা সাধারণ কার্টুন তৈরির মতো নানা ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক কার্টুনের সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক ঘটনাবলির গভীর ব্যাখ্যা তুলে ধরার ক্ষে
এআই যতই এগোক, রাজনৈতিক কার্টুনে মানুষের বিকল্প নয়: সুবানি


বেঙ্গালুরু, ১৩ জুন (হি. স.) : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন ছবি আঁকা, ক্যারিকেচার বা সাধারণ কার্টুন তৈরির মতো নানা ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক কার্টুনের সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক ঘটনাবলির গভীর ব্যাখ্যা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এআই এখনও মানুষের বিকল্প হতে পারেনি। এমনই মন্তব্য করলেন প্রবীণ কার্টুনিস্ট সুবানি।

শনিবার বেঙ্গালুরুতে ‘বার্টন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ গ্রহণের পর তিনি বলেন, রাজনৈতিক কার্টুন কেবল আঁকার দক্ষতার বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সময়ের স্পন্দন, রাজনৈতিক বোধ এবং সমাজের মনস্তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতা।

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশন অব কার্টুনিস্টস, মায়া কামাত পরিবারের সহযোগিতায় এবং বার্টন গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কার্টুন শিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য সুবানিকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

১৯৮৫ সালে ‘আন্ধ্র ভূমি’ পত্রিকার মাধ্যমে কার্টুনিস্ট হিসেবে যাত্রা শুরু করেন সুবানি। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি ‘ডেকান ক্রনিকল’-এর কার্টুন সম্পাদক হিসেবে যুক্ত। দীর্ঘ চার দশকের কর্মজীবনে তিনি ৩৫ হাজারেরও বেশি কার্টুন এবং প্রায় ১০ হাজার অলঙ্করণ এঁকেছেন। পাশাপাশি লিখেছেন একাধিক বই।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত খ্যাতনামা কার্টুনিস্ট মায়া কামাতের ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মায়া কামাত মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল কার্টুন কনটেস্ট ২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণও অনুষ্ঠিত হয়। মায়া কামাতের স্বামী অমরনাথ কামাত জানান, এ বছর ৭৫টি দেশ থেকে প্রায় ১,৮০০টি কার্টুন প্রতিযোগিতায় জমা পড়েছে, যা এই প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

পরে ‘রাজনৈতিক কার্টুনিং বিকাশ না প্রতিরোধের মুখে?’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’র কার্টুনিস্ট সন্দীপ আঢওয়ার্যু, স্প্যারোর ডিরেক্টর সি.এস. লক্ষ্মী এবং মায়া কামাতের কন্যা দীপা কামাত। আলোচনা পরিচালনা করেন সাংবাদিক নূপুর বসু।

অনুষ্ঠানে মায়া কামাতের জীবন ও কর্মভিত্তিক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী ও ভাস্কর বালান নাম্বিয়ার প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন এবং মায়া কামাতের স্মৃতিচারণ করেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande