দূষণ রুখতে কড়া অবস্থানে সিএকিউএম, ২০২৬ সালের শেষ থেকে এনসিআরে বন্ধ হবে ডিজেল অটো
নয়াদিল্লি, ১৩ জুন (হি.স.) : দিল্লি-এনসিআরের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে বায়ু গুণমান ব্যবস্থাপনা কমিশন (সিএকিউএম)। শনিবার অনুষ্ঠিত কমিশনের ২৫তম পর্যালোচনা বৈঠকে যানবাহনের ধোঁয়া, রাস্তার ধুলো, নির্মাণ বর্জ্য, ফস
দূষণ রুখতে কড়া অবস্থানে সিএকিউএম, ২০২৬ সালের শেষ থেকে এনসিআরে বন্ধ হবে ডিজেল অটো


নয়াদিল্লি, ১৩ জুন (হি.স.) : দিল্লি-এনসিআরের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে বায়ু গুণমান ব্যবস্থাপনা কমিশন (সিএকিউএম)। শনিবার অনুষ্ঠিত কমিশনের ২৫তম পর্যালোচনা বৈঠকে যানবাহনের ধোঁয়া, রাস্তার ধুলো, নির্মাণ বর্জ্য, ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানো এবং শিল্প দূষণ রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখা হয়।

কমিশনের চেয়ারম্যান রাজেশ বর্মার সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে দিল্লি, এনসিআর ভুক্ত রাজ্যগুলি এবং পঞ্জাবের প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে এনসিআর অঞ্চলের সমস্ত পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে এএনপিআর ক্যামেরার মাধ্যমে বৈধ দূষণ নিয়ন্ত্রণ শংসাপত্র (পিইউসি) না থাকা যানবাহনকে জ্বালানি দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি পুরনো ও দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এনসিআর এলাকা থেকে সমস্ত ডিজেল চালিত অটো-রিকশা তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। যানজটপ্রবণ মোড় ও রাস্তাগুলিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার উপরও জোর দিয়েছে কমিশন।

নির্মাণ ও ভাঙার কাজ থেকে সৃষ্ট ধুলো এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শীতের মরসুম শুরুর আগে অতিরিক্ত যান্ত্রিক রাস্তা পরিষ্কারকরণ যন্ত্র মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

অন্যদিকে পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তর প্রদেশে পরালি পোড়ানো রোধে নেওয়া পদক্ষেপের পর্যালোচনা করে সিএকিউএম রাজ্যগুলিকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ইটভাটায় বায়োমাস প্যালেট ব্যবহারের প্রসার এবং খোলা মাঠে পরালি পোড়ানো সম্পূর্ণ বন্ধ করার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, একাধিক ইটভাটায় এখনও অনুমোদিত জ্বালানির পরিবর্তে অন্য জ্বালানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কড়া নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

শিল্প দূষণ নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছে সিএকিউএম। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বায়ুদূষণ সংক্রান্ত নির্গমন মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ শিল্প সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিল্প ইউনিট বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande