এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের
হাওড়া, ১৬ জুন (হি.স.) : অচেনা, কুলগোত্রহীন রাজনৈতিক দল থেকে রাতারাতি জাতীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। রবিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদানের খবর সামনে
এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের


এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের


এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের


এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের


এনসিপিআই নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে স্থানীয়দের


হাওড়া, ১৬ জুন (হি.স.) : অচেনা, কুলগোত্রহীন রাজনৈতিক দল থেকে রাতারাতি জাতীয় রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। রবিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগদানের খবর সামনে আসার পর সোমবার দিনভর সেই এনসিপিআই এখন রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। হাওড়ার সাঁকরাইলের হাটগাছা এলাকায় এই দলের সদর দফতরকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। মঙ্গলবারও যা অব্যাহত।

পাঁচিল দিয়ে ঘেরা সবুজ রঙের দোতলা বাড়ি। বাড়ির মাথায় লেখা রয়েছে ‘জাগো বিশ্ব’। গাছ-গাছালি দিয়ে ঘেরা সামনের অংশটি। বকুলতলা বি গার্ডেন গেট থেকে নাজিরগঞ্জ হয়ে হাটগাছা এনসি পাল পোল পেরিয়ে হাটগাছা-বাণীপুর এলাকায় এই বাড়ি। আবার আন্দুল স্টেশন পেরিয়েও যাওয়া যায় এই ঠিকানায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যে ভবনটিকে এনসিপিআই-এর কার্যালয় হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, সেটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (এনজিও)-র দফতরও। কিন্তু সেখান থেকেই যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা হতে পারে, তা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি ওই দফতরের আশেপাশে থাকা অনেক বাসিন্দা।

জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে এনসিপিআই প্রতিষ্ঠিত হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উঠে আসে পেশায় আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু এবং তাঁর স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুর নাম। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে ওই সংগঠন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে এবং এনসিপিআই-এর প্রতীকে স্থানীয় ঝোড়হাট গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রার্থীও দাঁড় করায়। এনজিও চালানো ও এনসিপিআই পার্টির প্রতিষ্ঠাতার পাশাপাশি ‘জাগো বিশ্ব’ নামে সংবাদপত্রের সম্পাদক হিসেবে নাম লেখা রয়েছে উত্তীয় বাবুর।

মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ‘জাগো বিশ্ব’ দীর্ঘদিন ধরে ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য শিবির, দুঃস্থদের সাহায্য-সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে ওই সংস্থার দফতরের সঙ্গে যে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সম্পর্ক থাকতে পারে, সে বিষয়ে তাঁদের কোনও ধারণাই ছিল না এতদিন।

উত্তীয় বাবুর পূর্ব পরিচিত বলে দাবি করে স্থানীয় বাসিন্দা তথা ইউটিউবার রাজ মল্লিক বলেন, উত্তীয় বাবু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন করেন বলে জানতাম। কিন্তু উনি যে রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সে বিষয়ে জানা ছিল না। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা তথা সাংবাদিক দিব্যেন্দু ঘোষ সমাজ মাধ্যমে একটি মন্তব্যে জানান, আমার বাড়ির কাছেই বাড়ি, এনসিপিআই-এর এই সদর দফতর. কিছু জানতামই না। নামই শুনিনি এই পার্টির।

ওই দফতরের বাইরে ইতিমধ্যেই বসেছে প্রহরা। মঙ্গলবার সকালেও স্থানীয়দের ইতিউতি উঁকিঝুঁকি দেখা যায় ওই বাড়ির আশেপাশে। হাটগাছার মতো মফস্বল এলাকায় এখন ওই বাড়িকে ঘিরেই চর্চা চায়ের দোকান থেকে হেঁসেলের অন্দরমহল পর্যন্ত।

পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে উত্তীয় কুণ্ডু ও শিউলি কুণ্ডুর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। যদিও তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস




 

 rajesh pande