মাঠ থেকে রাজনীতি পরিহার, এ রাজ্যে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি গড়বে নতুন বিজেপি সরকার
কলকাতা, ১৬ জুন (হি. স.): সবার আগে খেলার মাঠ থেকে রাজনীতিকে সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে। খেলার দুনিয়ায় বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ— এসব আর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। মঙ্গলবার এই কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি এ রাজ্যের বুকে একটি স্প
কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাব তাঁবুতে সংবর্ধনা


কলকাতা, ১৬ জুন (হি. স.): সবার আগে খেলার মাঠ থেকে রাজনীতিকে সম্পূর্ণ পরিহার করতে হবে। খেলার দুনিয়ায় বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ— এসব আর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। মঙ্গলবার এই কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি এ রাজ্যের বুকে একটি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি তথা পৃথক ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লক্ষ্য, ‘খেলো ইন্ডিয়া’-র সুবিধা একদম তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়া। সেই অনুযায়ী বিভাগীয় স্তরে পর্যায়ক্রমে নানা কর্মকাণ্ড চালানো হবে। এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় গেমস আয়োজনের কথা এবং চিন্তাভাবনাও চলছে। এই ধরনের বড় আসর আয়োজনের জন্য পরিকাঠামো উন্নয়ন নিঃসন্দেহে জরুরি।

ক্রীড়া ক্ষেত্রে তৃণমূল স্তরে সার্বিক নজরদারির অভাব রয়েছে উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, এবার থেকে সরকার এই বিষয়ে কড়া ও সতর্ক নজর রাখবে। মাঠে সিন্ডিকেট, ম্যাচ গড়াপেটা বা বেটিং কোনওকিছুই আর চলবে না। বর্তমান ক্রীড়াজগতে বাঙালি খেলোয়াড়রা প্রায় নেই বললেই চলে, এই ছবির দ্রুত বদল দরকার।

দর্শকদের পুনরায় মাঠে টেনে আনতে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রচেষ্টা চালানো হবে, বিশেষ করে দুই প্রধান মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে। রাজ্যে ক্রীড়া সংস্কৃতির সার্বিক পুনরুজ্জীবন ঘটাতেই এই নতুন ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande