
কলকাতা, ২ জুন (হি স)। “এই অন্ধকার এবার শেষ হতে চলেছে । Detect, Delete, Deport । ধন্যবাদ, অমিত শাহ, ধন্যবাদ শুভেন্দু অধিকারী!” অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্ণিত করে তাদের বাংলাদেশে ফেরৎ পাঠানো সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যমে প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সমর্থন ক্রমে বেড়ে চলেছে।
সম্প্রতি তিনি লিখেছেন, “আজকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার পরেই অনুপ্রবেশকারীরা পালাতে আরম্ভ করেছে - এই প্রক্রিয়া এসআইআর-এর সময়েই আরম্ভ হয়েছিল। কিন্তু এরা কবে থেকে চোরাপথে ভারতে ঢুকছে? উত্তর, উনিশশো আশির দশক থেকে।
১৯৮৮ সাল নাগাদ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কয়েকজন প্রতিনিধি মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সঙ্গে দেখা করে সমস্যাটার কথা জানিয়েছিলেন। উত্তরে জ্যোতিবাবু অসহ্য নাটুকেপনা করে টেবিলের নীচে উঁকি মেরে বলেছিলেন, কই, আমি তো কোনো অনুপ্রবেশকারী দেখতে পাচ্ছি না! প্রতিনিধিরা সঙ্গে সঙ্গে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান।
এর পরে ১৯৯০ সাল নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল টি ভি রাজেশ্বর (যিনি আগে গোয়েন্দা দপ্তরের কর্তা ছিলেন) একই আশংকা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আবার তার বিরোধিতা করেছিল।
তার প্রায় পয়ঁত্রিশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী মুসলমান অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। এদের মধ্যে মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গিয়াও আছে। দেশের কি পরিমাণ সম্পদ এরা শুষে খেয়েছে, কি পরিমাণ রাজ্যের ধর্মীয় ভারসাম্য বদলে দিয়েছে, কি পরিমাণ ভারতীয় নাগরিককে চাকরি থেকে বঞ্চিত করেছে, সেটা অনুমান করা কঠিন নয়।”
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত