মণিপুরের গ্রামে দুষ্কৃতীদের অগ্নিসংযোগ, ছাই ১৫টি বসতবাড়ি, পাল্টা হামলার চেষ্টা বানচাল নিরাপত্তা বাহিনীর
কামজং (মণিপুর), ১ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের কামজং জেলার অন্তৰ্গত ফাইমোল গ্রামে আগুন ধরিয়ে ১৫টি বসতবাড়ি ভস্ম করে দিয়েছে দুষ্কৃতীর দল। এ ঘটনার পাল্টা হামলা হিসেবে তাংখুল গ্রামে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় সেই হামলা
কামজং জেলার গ্রামে দুষ্কৃতীদের অগ্নিসংযোগ (ফাইল ফটো)


কামজং (মণিপুর), ১ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের কামজং জেলার অন্তৰ্গত ফাইমোল গ্রামে আগুন ধরিয়ে ১৫টি বসতবাড়ি ভস্ম করে দিয়েছে দুষ্কৃতীর দল। এ ঘটনার পাল্টা হামলা হিসেবে তাংখুল গ্রামে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় সেই হামলা আংশিকভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার দুপুর প্রায় ১২টা ৩০ মিনিট নাগাদ ভারত-মায়ানমার সীমান্তের ১১৩ নম্বর সীমান্তস্তম্ভের কাছে, চাসাদ থানা থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত ফাইমোল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে ফাইমোল গ্রামের বাসিন্দারা আগেই গ্রাম ছেড়ে কাছাকাছি আইশি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই গ্রামে ১১ আসাম রাইফেলস-এর একটি শিবির রয়েছে। ফলে অগ্নিকাণ্ডে কোনও প্রাণহানি বা আহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে গ্রামের ১৫টি বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। গ্রামের গির্জা অবশ্য অক্ষত রয়েছে।

এর পর একই দিন বেলা প্রায় ১টা ৪৫ মিনিটে পাল্টা হামলার উদ্দেশ্যে আরেকদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী ভারত-মায়ানমার সীমান্তের ১০১ নম্বর সীমান্তস্তম্ভের কাছে অবস্থিত শাংখালোক তাংখুল গ্রামে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালায়।

নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা গ্রাম পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। তবে মায়ানমার থেকে আগত শরণার্থীদের কয়েকটি ছোট খড়ের ঘর এবং তাংখুল সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়ি আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়া তাংখুল সম্প্রদায়ের সাতটি বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে আরও সাত থেকে আটটি বাড়ি।

সরকারি সূত্রটি আরও জানিয়েছে, শাংখালোক ও ফাইকোহ গ্রামের মাঝখানে অবস্থিত তাংখুল বসতি হুইমিনে থানায় সাতটি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনার ক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। হামলার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande