
কলকাতা, ১ জুলাই (হি. স.) : ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা আইএসএফ চেয়ারম্যান পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী বুধবার ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এদিন ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ডাঃ বিধান চন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক। এছাড়াও ছিলেন শিক্ষাবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। বাংলার রাজনীতির এক টালমাটাল সময়ে তিনি টানা ১৪বছর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীত্ব করেছিলেন। প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষের পর তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী।
১৯৬১ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান “ভারতরত্নে” ভূষিত হন।
স্বাধীনোত্তর ভারতে বাংলার টালমাটাল পরিস্থিতি ছিল। ১৯৪৮-এ উদ্বাস্তু সমস্যা রাজ্যে ভয়াবহ আকার নিয়েছিল। তিনি গড়ে তুললেন সল্টলেক, লেক টাউন, কল্যাণী উপনগরী প্রভৃতি। এরফলে উদ্বাস্তু সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছিল। তাঁর আমলে তৈরি হয়েছে দুর্গাপুর ইস্পাতনগরী, চিত্তরঞ্জন রেলইঞ্জিন কারখানা। কলকাতার পর হলদিয়া বন্দর গড়ে ওঠা, এমনকি ফারাক্কা ব্যারেজ গড়ে ওঠার পেছনেও বিধান চন্দ্রের ভূমিকা ছিল। চোদ্দো বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
মৃত্যুর পর তাঁর সম্মানে কলকাতার উপনগরী সল্টলেকের নামকরণ করা হয় বিধাননগর। বরণীয় এই ব্যক্তিটির জন্ম ও মৃত্যু একই দিনে, ১লা জুলাই। চিকিৎসাক্ষেত্রে তাঁর অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের জন্য এই দিনটি “চিকিৎসক দিবস” হিসেবে পালিত হয়।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত