বজ্রপাতে অল্পের জন্য রক্ষা পেল ছাত্রাবাসের ২০ পড়ুয়া, ব্যাপক ক্ষতি চাতরি আবাসিক বিদ্যালয়ে
বাঁকুড়া, ১ জুলাই (হি.স.) : বজ্রপাতের জেরে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল বাঁকুড়া জেলার জঙ্গলমহল এলাকার চাতরি গ্রামে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সময় চাতরি নিম্ন বুনিয়াদি আবাসিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাত হলে বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয
বজ্রপাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল ছাত্রাবাস, ২০ জন ছাত্র, ব্যাপক ক্ষতি বিদ্যালয়ের


বাঁকুড়া, ১ জুলাই (হি.স.) : বজ্রপাতের জেরে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল বাঁকুড়া জেলার জঙ্গলমহল এলাকার চাতরি গ্রামে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সময় চাতরি নিম্ন বুনিয়াদি আবাসিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাত হলে বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে ছাত্রাবাসে থাকা ২০ জন শবর জনজাতির পড়ুয়া এবং আবাসিক সুপার অক্ষত থাকায় স্বস্তি ফিরেছে।

বুধবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যায় প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুতের মধ্যে আচমকাই বিদ্যালয়ের উপর বজ্রপাত হয়। বিকট শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা চাতরি গ্রাম এবং বিদ্যালয় সংলগ্ন ছাত্রাবাসে। বজ্রাঘাতে বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল ধরে। নষ্ট হয়ে যায় একাধিক শ্রেণিকক্ষের মোট ১২টি সিলিং ফ্যান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ব্যবস্থা এবং জল তোলার পাম্প। পাশাপাশি বহু মনীষীর প্রতিকৃতিও পুড়ে যায়।

এদিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম মণ্ডল জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার বজ্রপাতে বিদ্যালয়ের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা অকল্পনীয়। তিনি জীবনে এমন ভয়াবহ ঘটনা দেখেননি। দ্রুত সরকারি সাহায্য না পেলে বিদ্যালয়ের মেরামত ও পঠনপাঠন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। বৈদ্যুতিক সংযোগ ও জল তোলার পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় পড়ুয়াদের পানীয় জল এবং মিড-ডে মিলের ব্যবস্থাও ব্যাহত হবে।

বিদ্যালয়ে ২৫০-রও বেশি পড়ুয়া রয়েছে। জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পড়া এলাকার অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই মিড-ডে মিলের উপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি বিদ্যালয় চত্বরে শবর জনজাতির একটি আবাসিক ছাত্রাবাস রয়েছে। ফলে পানীয় জলের সংকটে ছাত্রাবাসের পড়ুয়ারাও সমস্যায় পড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে যাওয়ার পর ঘটনাটি ঘটায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। না হলে শতাধিক পড়ুয়া হতাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ছাত্রাবাসেও সেই সময় ২০ জন পড়ুয়া ও একজন আবাসিক সুপার উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার পর কয়েকজন অসুস্থ বোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শক্তি মাহাতো ও ফটিক শবর জানান, মঙ্গলবার তাঁরা অনেকেই মুকুটমনিপুরে মুখ্যমন্ত্রীর হুল দিবসের সভায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখে তাঁরা হতবাক হয়ে যান। তাঁদের কথায়, এমন তাণ্ডব আগে কখনও দেখেননি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande