
- কাছাড়ের ডলুতে ২,১৩৪ কোটি টাকার গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর, রূপসী বিমানবন্দরের পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণের ঘোষণা
গুয়াহাটি, ১০ জুলাই (হি.স.) : অসমে বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে কাছাড় জেলার ডলুতে ২,১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর নির্মাণ এবং পশ্চিম অসমের রূপসী বিমানবন্দরের পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করে অর্থমন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া জানান, কাছাড়ের ডলুতে প্রস্তাবিত গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরটি এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এএআই)-র সহযোগিতায় নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, ২,১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বর্তমানে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বোর্ড (পিআইবি)-এর বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রকল্পটি যাতে দ্রুত শুরু করা যায়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা ও প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করছে অসম সরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার সহযোগিতায় ডলু, শিলচরে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করছে।
এছাড়া পশ্চিম অসমের ধুবড়িতে রূপসী বিমানবন্দর পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণের ঘোষণাও করেন অৰ্থমন্ত্ৰী। সংশোধিত মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে বিমানবন্দরের পরিকাঠামো এমনভাবে উন্নত করা হবে যাতে সব ধরনের আবহাওয়ায় এটিআর-৭২ বিমান চলাচল করতে পারে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিমানবন্দরটিকে এয়ারবাস এ-৩২০ এয়ারক্ৰ্যাফ্ট পরিচালনার উপযোগী করে তোলা হবে। এর ফলে বিমানবন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, এই সম্প্রসারণের ফলে পশ্চিম অসমে বিমান যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। এতে বাণিজ্য, পর্যটন ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রসারণের পর রূপসী বিমানবন্দর নিম্ন অসমকে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় এবং প্রতিবেশী দেশ ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এর ফলে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস