শিক্ষক–শিক্ষিকাদের সেন্সাসের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ, তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে বিশেষজ্ঞ তলব পুর কমিশনারের
কলকাতা, ১০ জুলাই (হি. স.): শিক্ষক-শিক্ষিকারা সেন্সাসের কাজে যুক্ত না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে কলকাতা পুরসভার তরফে ইতিপূর্বে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। তবে সেন্সাসের কাজ নিয়ে আপাতত পুর প্রশাসনের অন্দরে কোনও বড় জটিলতা নেই বল
শিক্ষক–শিক্ষিকাদের সেন্সাসের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ, তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে বিশেষজ্ঞ তলব পুর কমিশনারের


কলকাতা, ১০ জুলাই (হি. স.): শিক্ষক-শিক্ষিকারা সেন্সাসের কাজে যুক্ত না হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে কলকাতা পুরসভার তরফে ইতিপূর্বে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। তবে সেন্সাসের কাজ নিয়ে আপাতত পুর প্রশাসনের অন্দরে কোনও বড় জটিলতা নেই বলেই স্পষ্ট দাবি করলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ও পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। শুক্রবার শহরের একাধিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেন্সাসের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি জানান, পুরসভার সেন্সাসের কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে এবং ভালভাবেই এগোচ্ছে। বর্তমানে কোথাও উল্লেখযোগ্য কোনও সমস্যা নেই। নির্ধারিত পরিকল্পনা মেনেই সমস্ত কাজ চলছে এবং সামগ্রিক অগ্রগতিও যথেষ্ট সন্তোষজনক। এর ফলে এই মুহূর্তে সেন্সাসের কাজে কোনও বড় ধরণের বাধা বা প্রতিরোধ তৈরি হয়নি বলেও পুর প্রশাসনের তরফে জোরালো দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, তারাতলার সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয় কাণ্ডের তদন্তে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। এই বিপর্যয় প্রসঙ্গে স্মিতা পাণ্ডে জানান, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ও জিও-টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার শান্তনু দত্তকে ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁর কথায়, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের স্বার্থেই ওই নামী বিশেষজ্ঞকে তলব করা হয়েছে। তদন্তের সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রেখেই দুর্ঘটনার প্রকৃত ও মূল কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে এদিন স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন পুর কমিশনার।

এদিন আলোচনার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে বেহালা অঞ্চলে, ভারী বৃষ্টির জেরে তীব্র জল জমার সমস্যার প্রসঙ্গও উঠে আসে। সে বিষয়ে বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে স্মিতা পাণ্ডে জানান, সকাল থেকেই পুরসভার নিকাশি বিভাগের কর্মীরা সরাসরি মাঠে নেমে পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। জমা জল দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য সমস্ত পাম্পিং স্টেশন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তাঘাটে জমে থাকা জল নেমে যাবে বলেই আশাবাদী পুর প্রশাসন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande