সতনা রেলস্টেশনের অপেক্ষাকক্ষে সন্তানের জন্ম, সময়মতো অ্যাম্বুল্যান্স না পৌঁছনোয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
সতনা, ১১ জুলাই (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশের সতনা রেলস্টেশনে শনিবার ভোরে স্বাস্থ্য পরিষেবার গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রসব যন্ত্রণায় কাতর এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সময়মতো চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ায় রেলস্টেশনের মহিলা অপেক্ষাকক্ষেই এক নবজাতকের জন্ম দেন।
সতনা রেলস্টেশনের অপেক্ষাকক্ষে সন্তানের জন্ম, সময়মতো অ্যাম্বুল্যান্স না পৌঁছনোয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন


সতনা, ১১ জুলাই (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশের সতনা রেলস্টেশনে শনিবার ভোরে স্বাস্থ্য পরিষেবার গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রসব যন্ত্রণায় কাতর এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সময়মতো চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ায় রেলস্টেশনের মহিলা অপেক্ষাকক্ষেই এক নবজাতকের জন্ম দেন। ঘটনাকে ঘিরে জননী এক্সপ্রেস ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলা একাই মহিলা অপেক্ষাকক্ষে ছিলেন এবং তীব্র প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখে উপস্থিত মহিলা যাত্রীরা জননী এক্সপ্রেসে ফোন করে সাহায্য চান। অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে পৌঁছয়নি। উপস্থিত কয়েকজনের দাবি, জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থও চাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসা সহায়তার অপেক্ষার পর শনিবার ভোর প্রায় ৪টা ২২ মিনিটে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনেই ওই মহিলা এক সন্তানের জন্ম দেন। পরে উপস্থিত মহিলা যাত্রীরাই সাহসিকতার সঙ্গে প্রসূতিকে সাহায্য করে নিরাপদ প্রসব করান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রসূতির নাম খুশবু। তাঁদের দাবি, তাঁর স্বামী তাঁকে অপেক্ষাকক্ষে রেখে অন্যত্র চলে যান। তবে প্রসবের পর মা ও নবজাতককে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কি না এবং তাঁদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা কী, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি।

ঘটনার পর জননী এক্সপ্রেস, জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং জেলা হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে এই বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande