মণিপুরে প্রথম বিষ্ণুপুর জেলা অলিম্পিক গেমসের সমাপনী অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী
বিষ্ণুপুর (মণিপুর), ১২ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের মৈরাঙের চেঙ্গেই লম্পাকে অনুষ্ঠিত প্রথম বিষ্ণুপুর জেলা অলিম্পিক গেমস-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা, মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচন্দ সিং, গৃহ ও যুবকল্যাণ এবং ক্রীড়ামন্
জনৈক বিজয়ীর হাতে পুরস্কার ও স্মারক তুলে দিচ্ছেন রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা


বিষ্ণুপুর (মণিপুর), ১২ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের মৈরাঙের চেঙ্গেই লম্পাকে অনুষ্ঠিত প্রথম বিষ্ণুপুর জেলা অলিম্পিক গেমস-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা, মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচন্দ সিং, গৃহ ও যুবকল্যাণ এবং ক্রীড়ামন্ত্রী গোবিন্দাস কোন্থৌজাম, বিধায়কবৃন্দ, মুখ্যসচিব ড. পুনীত কুমার গোয়েল, ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণে রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা বলেন, তৃণমূল স্তরে এ ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের খুঁজে বের করা এবং তাঁদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্যপাল ভাল্লা বলেন, প্রথম বিষ্ণুপুর জেলা অলিম্পিক গেমস খেলাধুলার প্রকৃত চেতনাকে তুলে ধরেছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ ক্রীড়াবিদদের একত্রিত করার পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতা শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, দলগত চেতনা এবং উৎকর্ষের মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করেছে। তিনি প্রতিযোগিতার সফল আয়োজনের জন্য ক্রীড়াবিদ, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা এবং আয়োজকদের অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও বলেন, জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করতে এবং তাঁদের রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, মণিপুরের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের জেলা অলিম্পিক গেমসের আয়োজন করা হবে, যাতে কোনও প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ অজানাই থেকে না যান।

মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচাঁদ সিং বলেন, জেলা অলিম্পিক গেমস ক্রীড়াবিদদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা ছাড়াও নতুন প্রতিভা চিহ্নিত ও বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ মণিপুরের ক্রীড়াবিদদের নিজেদের দক্ষতা আরও উন্নত করতে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টের ফাইনাল প্রতিযোগিতা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যান্ডের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা ১৬টি বিভিন্ন ক্রীড়া বিভাগের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও স্মারক তুলে দেন।

বিষ্ণুপুর জেলা প্রশাসন এবং বিষ্ণুপুর জেলা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ছিল খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, দলগত চেতনা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং উৎকর্ষের মানসিকতা গড়ে তোলা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande