সরকারি হাসপাতালে রোগী ও প্রাথমিক পড়ুয়ারা পাবেন আরও ভালো খাবার, ১ আগস্ট থেকে বাড়ছে বরাদ্দ
কলকাতা, ১৩ জুলাই (হি.স.): সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী এবং সরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া খাবারের গুণমান ও পুষ্টির স্তর উন্নত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ''এক্স''-এ একট
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাংবাদিক বৈঠক


কলকাতা, ১৩ জুলাই (হি.স.): সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী এবং সরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া খাবারের গুণমান ও পুষ্টির স্তর উন্নত করতে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'এক্স'-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, এই নতুন ব্যবস্থা আগামী ১ আগস্ট (২০২৬) থেকে কার্যকর হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ভরতি থাকা রোগীদের দৈনিক খাবারের খরচ ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে রোগীরা আরও বেশি পুষ্টিকর, সুষম এবং উন্নত গুণমানের খাবার পাবেন।

একইভাবে, 'পিএম পোষণ' (মিড-ডে মিল) প্রকল্পের আওতায় প্রি-প্রাইমারি এবং প্রাথমিক শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রতিদিনের রান্নার খরচ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। প্রতি ছাত্র পিছু এই বাড়তি ৩.২২ টাকার অতিরিক্ত খরচ রাজ্য সরকার নিজেই বহন করবে। এই ব্যবস্থাও ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে চলেছে।

সরকার জানিয়েছে, মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে খাবারের গুণমান বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছিল। উল্লেখ্য, খাবার বাবদ বরাদ্দের এই হার শেষবার সংশোধন করা হয়েছিল ২০১৭ সালে। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর পর রাজ্য সরকার এই বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল।

সরকারের বক্তব্য, সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণির মানুষকে আরও ভালো পরিষেবা দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য। হাসপাতালে পুষ্টিকর খাবার রোগীদের দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে স্কুলগুলিতে গুণমানসম্পন্ন মধ্যাহ্নভোজন শিশুদের শারীরিক বিকাশ, সঠিক পুষ্টি এবং শেখার ক্ষমতাকে আরও মজবুত করবে।

শুভেন্দু অধিকারী পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, রাজ্যের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া সরকারের অঙ্গীকার এবং জনকল্যাণমূলক এই ধরনের সিদ্ধান্ত আগামীদিনেও জারি থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande