হড়পা বানে সেতু ভেসে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন অরুণাচলের আটটি গ্রাম
ইটানগর, ১৪ জুলাই (হি.স.) : অরুণাচল প্রদেশের ক্রা দাদি জেলার অন্তর্গত আটটি গ্রামের সঙ্গে রাজ্যের বাকি অংশের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট হড়পা বানে কুমেই নদীর ওপর নির্মিত ৮৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ভেসে যাওয়ায় এই প
হড়পা বানে সেতু ভেসে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন অরুণাচলের আটটি গ্রাম


প্রলয়ঙ্করী হড়পা বান


ইটানগর, ১৪ জুলাই (হি.স.) : অরুণাচল প্রদেশের ক্রা দাদি জেলার অন্তর্গত আটটি গ্রামের সঙ্গে রাজ্যের বাকি অংশের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট হড়পা বানে কুমেই নদীর ওপর নির্মিত ৮৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ভেসে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, আজ মঙ্গলবার সরকারি সূত্রে এ খবর জানানো হয়েছে।

সরকারি সূত্রের খবর, সোমবার সেতুটি ভেসে যাওয়ার ফলে প্রত্যন্ত এই গ্রামগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি অত্যাবশ্যক সামগ্রী সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

রাজ্যে ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ইতিমধ্যেই সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যের ২৬টি জেলার ৪২৫টি গ্রামের অন্তত ৯৭ হাজার ১৮২ জন মানুষ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি কৃষিজমি এবং বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পিপসরাং মহকুমার সাব-ডিভিশনাল অফিসার ইউমলাম পুলু এবং তালি পূর্ব জেলা পরিষদের সদস্য রুগু তামা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছেন।

মহকুমাশাসক ইউমলাম পুলু জানান, সেতুটি ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী ২০-এর বেশি বাড়ি বন্যায় ধ্বংস হয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের জেলা প্রশাসনের জারিকৃত নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলতে এবং ফুলে-ফেঁপে ওঠা নদীর কাছে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে জেলা পরিষদের সদস্য রুগু তামা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য অবিলম্বে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে, আটটি বিচ্ছিন্ন গ্রামের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন এবং ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার সুবিধার্থে ভেসে যাওয়া সেতুটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এখনও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande