পদ্মশ্রী গীতা উপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব
গুয়াহাটি, ১৪ জুলাই (হি.স.) : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত গীতা উপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্ৰী তাঁকে এমন এক বিশিষ্ট সাহিত্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যাঁর
পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত গীতা উপাধ্যায়


গুয়াহাটি, ১৪ জুলাই (হি.স.) : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত গীতা উপাধ্যায়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্ৰী তাঁকে এমন এক বিশিষ্ট সাহিত্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যাঁর অসমীয়া ও নেপালি সাহিত্যে অসামান্য অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বাৰ্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গীতা উপাধ্যায়ের প্রয়াণে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর আজীবন অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক শ্রীমতী গীতা উপাধ্যায়ের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি অসমীয়া ও নেপালি সাহিত্যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।’

তিনি আরও লিখেছেন, সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গীতা উপাধ্যায় পদ্মশ্রী সম্মানের পাশাপাশি ২০২৬ সালের ‘সতী সাধনী’ পুরস্কারেও সম্মানিত হয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবার, তাঁর অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রয়াতের আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘পদ্মশ্রী এবং ২০২৬ সালের সতী সাধনী পুরস্কারে সম্মানিত গীতা উপাধ্যায়ের উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে থাকবে। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার, অনুরাগী এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। প্রয়াত আত্মার সদগতি কামনা করি। ওঁ শান্তি।’

গীতা উপাধ্যায় শিক্ষা এবং সাহিত্য, উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে অসমীয়া ও নেপালি সাহিত্যে তাঁর লেখনী দুই ভাষার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর প্রয়াণে রাজ্যের বিভিন্ন মহল থেকে শোক ও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande