তসলিমার ব্যাপারে শীর্ষেন্দুর সুর, প্রশ্ন নেটিজেনদের
কলকাতা, ১৪ জুলাই (হি. স.) : বাম আমল হোক, বা তৃণমূল, বরাবরই রাজ্যের শাসক দলকে তুষ্ট করে চলেছেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। এ নিয়ে নানা সময় তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। ওই দুই আমলে তসলিমা নাসরিনকে কলকাতায় ফেরানো নিয়
তসলিমার ব্যাপারে শীর্ষেন্দুর সুর, প্রশ্ন নেটিজেনদের


কলকাতা, ১৪ জুলাই (হি.

স.) : বাম আমল হোক, বা তৃণমূল, বরাবরই রাজ্যের শাসক দলকে তুষ্ট করে চলেছেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। এ নিয়ে নানা সময় তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। ওই দুই আমলে তসলিমা নাসরিনকে কলকাতায় ফেরানো নিয়ে কখনও তাঁকে সরব হতে দেখা যায়নি। এবার তসলিমাকে বিজেপি কলকাতায় আনার পরিকল্পনা করায় দ্রুততার সঙ্গে রাজ্য সরকারের ভাবনাকে স্বাগত জানালেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। আর এতেই

শীর্ষেন্দুবাবুকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন অনেকে। তসলিমাই তো লিখেছিলেন ‘ফেরা’! দুই দশক পর তাঁর ফেরার খবর খুশি বঙ্গীয় সারস্বত সমাজ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শহর কলকাতায় তাঁকে স্বাগত জানালেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মনে করেন, খোলামেলা কথা বলেন বলেই তসলিমাকে পছন্দ করে না নীতিপুলিশ সমাজ। ‘ঘুণপোকা’র স্রষ্টা পশ্চিমবঙ্গে স্বাগত জানান বিতর্কিত লেখিকাকে। তিনি বলেন, “অনেক দিন ধরে স্বদেশ থেকে নির্বাসিত তিনি। বাংলাদেশকে অসম্ভব ভালোবাসেন। যেহেতু বিতর্কিত চরিত্র, তাই নিজের দেশে থাকতে দেওয়া হয়নি।

মঙ্গলবার শীর্ষেন্দুবাবু তসলিমা সম্পর্কে সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের পর তাঁর ভালোবাসার জায়গা হল আমাদের শহর কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গ। যদিও সেখানেও তাঁর ফেরা হয়নি দীর্ঘদিন। যদিও তসলিমার মন পড়ে থাকে এখানে।

আসলে পশ্চিমবঙ্গের যে সাংস্কৃতিক পরিবেশ সেটা তাঁর খুবই পছন্দের।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে ওঁকে চিনি। ওঁর প্রতি আমার একটা স্নেহ, ভালোবাসা তো আছেই। তসলিমা পশ্চিমবঙ্গে আসুন, আমি চাই। এখানেই যদি তাঁর একটা স্থানীয় ঠিকানা হত, তাহলে সে খুশি হত, আমরাও খুশি হতাম। কিন্তু তিনি স্পষ্ট বক্তা, খোলামেলা কথা বলেন বলেই সামাজিক নীতিপুলিশের অপছন্দের। যাই হোক, তিনি যে ফের পশ্চিমবঙ্গে আসছেন, এটা ভালো খবর। ওঁর সঙ্গে দেখা হলে ভালো লাগবে।”

এর পরেই নেটনাগরিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, তসলিমার প্রতি এত ভালোবাসা কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন শীর্ষেন্দুবাবু? বাম ও তৃণমূল আমলে একবারও কি তিনি সরব হয়েছিলেন তসলিমাকে কলকাতায় নিয়ে আসার ব্যাপারে? হননি, কারণ তাতে তৎকালীন রাজ্য সরকার অসন্তুষ্ট হবেন! আজ যেই বর্তমান রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে, পল্টুরাম’ রাজনীতিকদের মতো সরব হলেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিকও!

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande