বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, প্রাণে বাঁচলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৪ জুলাই(হি. স.): বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে ফেরার পথে একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়। তবে তাতে থাকা ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। কাছাকাছি মাছ ধরছিল এমন একটি ট্রলার তাঁদের বিপদসংকেত পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, প্রাণে বাঁচলেন ১৩ জন মৎস্যজীবী


দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ১৪ জুলাই(হি. স.): বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে ফেরার পথে একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়। তবে তাতে থাকা ১৩ জন মৎস্যজীবীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। কাছাকাছি মাছ ধরছিল এমন একটি ট্রলার তাঁদের বিপদসংকেত পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালায়।

মঙ্গলবার প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের বাসিন্দা লক্ষ্মীনারায়ণ দাসের মালিকানাধীন 'এফবি সিদ্ধিবিনায়ক' নামে ট্রলারটি কয়েক দিন আগে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সোমবার রাতে মাছ ধরা শেষে উপকূলে ফেরার সময় বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে উত্তাল সমুদ্র ও প্রবল ঢেউয়ের মুখে পড়ে ট্রলারটি।

প্রবল ঢেউয়ের ধাক্কায় ট্রলারের তলদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত জল ঢুকতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়। বিপদ বুঝে মৎস্যজীবীরা আশপাশের ট্রলারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করলে একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৩ জনকেই জীবিত উদ্ধার করে। যদিও ডুবে যাওয়া ট্রলারটি আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর উপকূলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ঘটনায় কেউ প্রাণ না হারালেও সমুদ্রে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মৎস্যজীবীদের মধ্যে।

উল্লেখ্য, এর কয়েক দিন আগেই বঙ্গোপসাগরে 'মা কালী' নামে একটি মাছধরা ট্রলার নিখোঁজ হয়েছিল। ২ জুলাই শঙ্করপুর মৎস্যবন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে রওনা দেওয়া ট্রলারটির সঙ্গে ৫ জুলাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বকখালি উপকূল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বাঘের চরের কাছে ট্রলারটিকে উল্টে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকি ৬ জনের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া দেহগুলি শনাক্তকরণের জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনার সীতারামপুর হয়ে কলকাতার কাটাপুকুর মর্গে রাখা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পরিবারের সদস্যদের রক্তের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande