‘বিক্রম-১’-এর সফল উৎক্ষেপণে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত, বলেছেন ভারতের মহাকাশ অভিযানে নতুন মাইলফলক
গুয়াহাটি, ১৮ জুলাই (হি.স.) : ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে নির্মিত কক্ষপথগামী উৎক্ষেপণযান ‘বিক্রম-১’-এর সফল উৎক্ষেপণকে দেশের মহাকাশ গবেষণা ও বেসরকারি উদ্ভাবনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। শ
মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার পোস্টকৃত বিক্রম-১-এর ছবি


গুয়াহাটি, ১৮ জুলাই (হি.স.) : ভারতের প্রথম বেসরকারিভাবে নির্মিত কক্ষপথগামী উৎক্ষেপণযান ‘বিক্রম-১’-এর সফল উৎক্ষেপণকে দেশের মহাকাশ গবেষণা ও বেসরকারি উদ্ভাবনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

শনিবার নিজের অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ ‘স্কাইরুট অ্যারোস্পেস’-এর সমগ্র দলকে অভিনন্দন জানিয়ে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা বলেন, ‘বিক্রম-১’-এর সফল উৎক্ষেপণ ভারতের মহাকাশ শিল্পের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনারও এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। দেশের প্রথম বেসরকারি কক্ষপথগামী উৎক্ষেপণযান তৈরি ও সফলভাবে উৎক্ষেপণ করার জন্য তিনি সংস্থার প্রত্যেক সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, ‘বিক্রম-১’ তারই উজ্জ্বল প্রতিফলন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘ভারতের উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের কাছে এখন আকাশই সীমা নয়, গভীর মহাকাশই আগামী গন্তব্য।’

সাততলা ভবনের সমান উচ্চতার চার-ধাপবিশিষ্ট উৎক্ষেপণযান ‘বিক্রম-১’ তার প্রথম অভিযানে ৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতার নিম্ন পৃথিবীপথে (ল আর্থ অর্বিট) সফলভাবে একাধিক প্রযুক্তি-প্রদর্শনী পেলোড স্থাপন করেছে। এর মধ্যে ছিল গ্রহ স্পেস, কসমোসার্ভ, ডি-কিউবড এবং স্কাইরুটের নিজস্ব ‘স্কোপ’-এর প্রযুক্তিগত পেলোড। এছাড়া রকেটে বহন করা হয়েছিল একটি বিশেষ মাইক্রো-আর্ট পেলোড, ১৮ ক্যারেট সোনার তৈরি ক্ষুদ্র রকেট এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিজে্র হাতে লেখা ‘বন্দে মাতরম্’ বার্তাসংবলিত একটি পোস্টকার্ড। একইসঙ্গে প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও ভারতীয় মহাকাশচারীদের লেখা একাধিক স্মারক পোস্টকার্ডও এই অভিযানের অংশ ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়ে্ছেন, ‘বিক্রম-১’ ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ কার্বন কম্পোজিট কাঠামোর কক্ষপথগামী রকেট, যা অত্যাধুনিক ‘থ্রিডি-প্রিন্টেড ইঞ্জিন’ দ্বারা চালিত। এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে দেশের বেসরকারি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি মহাকাশে ক্রমবর্ধমান আবর্জনা মোকাবিলায় সহায়ক প্রযুক্তিরও পরীক্ষা করা হয়েছে।

ড. শর্মা লিখেছেন, ভারতের ঐতিহাসিক ‘এসএলভি-৩’ উৎক্ষেপণের ঠিক ৪৬ বছর পর ‘বিক্রম-১’-এর সফল যাত্রা দেশের মহাকাশ কর্মসূচির ভিত গড়ে তোলা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের প্রতি এক যথার্থ শ্রদ্ধার্ঘ্য।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 
 rajesh pande