চিন - দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরলেন সমাজ উদ্যোক্তা ডা. চৈতালি দাস
কলকাতা, ২ জুলাই (হি. স.) : চিনের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘চিন - দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬’ - এর সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় ভারতের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও রূপরেখা তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট সমাজ উদ্যোক্তা ডা. চৈত
চীন ও দক্ষিণ এশিয়া


কলকাতা, ২ জুলাই (হি. স.) : চিনের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘চিন - দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরাম ২০২৬’ - এর সপ্তম অধিবেশনে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতায় ভারতের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও রূপরেখা তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট সমাজ উদ্যোক্তা ডা. চৈতালি দাস। বৃহস্পতিবার ফোরামের অধিবেশন শেষে প্রেস ক্লাব, কলকাতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই আন্তর্জাতিক মঞ্চের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। ডা. দাস জানান, টেঁকসই উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত করতে ভারত - চিন দ্বিপাক্ষিক সংলাপ আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় চিনের কনসাল জেনারেল সু ওয়েই এবং পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যেরা।

ইউনান প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক দপ্তরের বিশেষ আমন্ত্রণে ওই চিন্তক ফোরামে (থিংক ট্যাংক ফোরাম) বক্তৃতা দেন ডা. দাস। তাঁর বক্তব্যে মূলত স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর পাশাপাশি, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে তিনি ‘চিন - দক্ষিণ এশিয়া ক্যানসার চিকিৎসা বিনিময় কর্মসূচি’ গঠনের প্রস্তাব দেন। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের হাসপাতাল, গবেষক ও চিকিৎসকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি ক্যানসার রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও চিকিৎসা - পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করে তোলা।

ডা. দাসের আন্তর্জাতিক এই বক্তব্যে যোগব্যায়াম ও তাই চি-র মতো দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী সুস্থতা চর্চার প্রসঙ্গটিও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উঠে আসে। তাঁর মতে, পারস্পরিক সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং মানুষ কেন্দ্রিক অংশীদারিত্বই হলো যেকোনো টেঁকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। সামগ্রিকভাবে এই ফোরামে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক (পিপল-টু-পিপল কনট্যাক্ট) আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande