
কলকাতা, ২০ জুলাই (হি.স.) : ১৯৯৩ সালের একুশে জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তে কমিশন রিপোর্টের অংশ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, ‘সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন? যিনি হয়তো আগামীকাল কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে শহিদ দিবস পালন করতে যাবেন৷’
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভায় দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একুশে জুলাইয়ের সবথেকে বড় সাক্ষী হিসেবে মনে করতেন৷ অথচ তাঁকেই কখনও সাক্ষী হিসেবে ডাকেনি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সুশান্তকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কমিশন৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, হয়তো তিনি নিজেই বারণ করে দিয়েছিলেন৷
কমিশনের রিপোর্ট উল্লেখ করে শুভেন্দুবাবু জানিয়েছেন, তৃণমূল সরকারের আমলে মহাকরণ থেকে একুশে জুলাই সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ না করার জন্য যে কারণগুলি দেওয়া হয়েছিল তা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছে কমিশন৷ মণীশ গুপ্তের ভূমিকা নিয়ে যে প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা তৃণমূলের পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তুলেছিলেন, সেই প্রসঙ্গও রিপোর্টে উল্লেখ করা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷
২১ জুলাই নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘শুধু রাজনৈতিক পদ বা সরকারি ক্ষমতা নয়৷ ব্যক্তিগত বিষয় সম্পত্তি, আমেরিকায় গিয়ে চোখের চিকিৎসা, চার্টার্ড ফ্লাইটে ঘোরা, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, হরিশ মুখার্জী রোডে ৩৮টা প্লটের মালিক হওয়া৷ অসংখ্য প্রাসাদের মালিক হয়েছেন৷ কিন্তু ২১ জুলাই কী হয়েছিল তা রাজ্যের মানুষ জানতে পারলেন না। অনেক দিন আগে রিপোর্ট দিয়েছে, আমিিিিি নিয়মানুযায়ী গণতন্ত্রের সব থেকে বড় মন্দির বিধানসভায় দিলাম।’
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত